প্রশ্নের বর্ণনা

a ধীরেসুস্থে
b নবরত্ন
c বিজয়োৎসব
d ধনুকভাঙ্গা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধীরেসুস্থে ১. কেন সঠিক: - ধীরেসুস্থে শব্দটি সমার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাসের একটি নিখুঁত উদাহরণ। - এই সমাসে ধীড়ে ও সুস্থে উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রাধান্য পায় এবং ব্যাসবাক্য হয় ধীড়ে ও সুস্থে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - সমার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাসের ক্ষেত্রে দুটি পদের অর্থ প্রায় একই হয় এবং মাঝখানে ও বা এবং অব্যয় বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাটবাজার ব্যাখ্যা: হাট ও বাজার সমার্থক শব্দের মিলনে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাস। উদাহরণ ২: খাতা9পত্র ব্যাখ্যা: খাতা ও পত্র কাছাকাছি অর্থের শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধীরেসুস্থে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি দ্বন্দ্ব সমাসের সঠিক উদাহরণ। B) নবরত্ন — এটি সমাসবদ্ধ শব্দ হলেও এটি দ্বিগু সমাসের উদাহরণ কারণ এর পূর্বপদ সংখ্যাবাচক। C) বিজয়োৎসব — এটি একটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য বিজয়ের উৎসব। D) ধনুকভাঙ্গা — এটি অলুক তৎপুরুষ বা অন্য কোনো তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যার অর্থ ধনুক ভাঙ্গা। ৫ মনে রাখার টিপস: - সমার্থক শব্দে দ্বন্দ্ব সমাস চেনার সহজ উপায় হলো দুটি পদের অর্থ প্রায় একই রকম হওয়া। - ও বা এবং অব্যয় ব্যবহার করে যখন দুটি সমার্থক পদ যুক্ত হয় তখন চোখ বন্ধ করে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ দিয়ে দ্বন্দ্ব সমাস নির্ণয় করতে বলা হয়। - সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে পদের অর্থ এবং ব্যাসবাক্যের গঠন ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0