প্রশ্নের বর্ণনা

a ধনুট + ঙ্কার
b ধনু + টঙ্কার
c ধনুঃ + টঙ্কার
d ধনুষ + টঙ্কার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধনুঃ + টঙ্কার ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে বিসর্গ (ঃ) এর পরে যদি ট কিংবা ঠ থাকে, তবে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য স (ষ) হয়। ধনুঃ যোগ টঙ্কার মিলে গঠিত হয়েছে ধনুষ্টংকর, যেখানে বিসর্গের সাথে ট যুক্ত হয়ে মূর্ধন্য ষ এবং পরে টঙ্কার মিলে টংকর রূপ নিয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে বিসর্গের পরে অঘোষ অল্পপ্রাণ বা মহাপ্রাণ ধ্বনি থাকলে পরিবর্তন ঘটে। ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে বিসর্গের মিলনের ফলে এই পরিবর্তন সাধিত হয় এবং উচ্চারণ সহজ করার জন্য এই সন্ধি কার্যকর হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিঃ + টেপ = নিষ্টেপ ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে ট থাকার কারণে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য ষ হয়েছে। উদাহরণ ২: চতুঃ + টকা = চতুষ্টকা ব্যাখ্যা: বিসর্গ ও ট এর মিলনে মূর্ধন্য ষ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধনুট + ঙ্কার — এই শব্দ গঠনে কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম মানা হয়নি এবং ধনুট বলে কোনো প্রমিত শব্দ নেই। B) ধনু + টঙ্কার — এখানে বিসর্গ চিহ্ন ব্যবহার না করায় এটি সন্ধির সঠিক নিয়মের আওতায় পড়ে না। C) ধনুঃ + টঙ্কার — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) ধনুষ + টঙ্কার — এখানে বিসর্গের পরিবর্তে সরাসরি ষ ব্যবহার করায় মূল শব্দের রূপ নষ্ট হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বিসর্গের পরে ট বা ঠ দেখলে বিসর্গের জায়গায় মূর্ধন্য ষ বসিয়ে দিলেই সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ পাওয়া যাবে। সন্ধি করার সময় বিসর্গ তুলে দিয়ে ষ এর সঙ্গে পরবর্তী বর্ণ যুক্ত করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ট এবং ঠ এর পূর্বে বিসর্গ থাকলে তা সবসময় মূর্ধন্য ষ এ রূপান্তরিত হয়, এই বিষয়টি মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0