প্রশ্নের বর্ণনা

a ধূলিসাৎ
b ধূলিস্যাৎ
c ধুলিস্যাৎ
d ধুলিসাৎ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধূলিসাৎ ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'ধূলিসাৎ' শব্দটিতে 'সাত' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে এবং এখানে 'ত' এর নিচে কোনো খণ্ড বা হসন্ত নেই। - 'ধূলিসাৎ' শব্দের অর্থ ধুলোয় মিশে যাওয়া বা ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়া, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বানানে লিখতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা তৎসমবৎ শব্দের বানানে দন্ত্য স এর ব্যবহার এবং প্রত্যয় যোগের সঠিক নিয়ম মেনে চলতে হয়। - এই শব্দটিতে 'ধূলি' শব্দের সঙ্গে 'সাত' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ শব্দটি গঠিত হয়েছে যেখানে শেষের বর্ণটি ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আত্মসাৎ ব্যাখ্যা: এটিও 'সাত' প্রত্যয়যুক্ত একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ শব্দ যার অর্থ নিজের অধিকারে বা আত্মসাৎ করা। উদাহরণ ২: ভস্মসাৎ ব্যাখ্যা: এর অর্থ পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া এবং এটিও 'সাত' প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি প্রমিত বানান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধূলিসাৎ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে বাংলা একাডেমি অনুমোদিত প্রমিত বানানরীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। B) ধূলিস্যাৎ — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে 'সাত' এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'স্যাৎ' বা তালব্য স ব্যবহার করা হয়েছে। C) ধুলিস্যাৎ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে 'ধূলি' শব্দের দীর্ঘ ঊ-কার বাদ দিয়ে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে এবং 'স্যাৎ' লেখা হয়েছে। D) ধুলিসাৎ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে মূল শব্দ 'ধূলি' এর বানান ভুল করে 'ধুলি' লেখা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধূলিসাৎ বানানে সবসময় ধূলির দীর্ঘ ঊ-কার এবং শেষে 'সাত' যুক্ত হবে, কোনো 'স্যাৎ' বা তালব্য স হবে না। - আত্মসাৎ, ভস্মসাৎ এবং ধূলিসাৎ শব্দগুলোর শেষে সবসময় ত ব্যবহৃত হয়, এটি মনে রাখলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রত্যয়ঘটিত বানান প্রায়ই আসে যেখানে দন্ত্য স এর পরিবর্তে তালব্য স বা ভুল প্রত্যয় দেওয়া থাকে। - তাই প্রমিত বানান শেখার জন্য বাংলা একাডেমি বানান অভিধান অনুসরণ করা সবচেয়ে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0