প্রশ্নের বর্ণনা

a আব্দুল হাকিম
b আলাওল
c দৌলত কাজী
d নওয়াজিস খান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নওয়াজিস খান ১. কেন সঠিক: গুলে বাকাওলী কাব্যখানি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার একটি বিখ্যাত রচনা যা ফার্সি ভাষা থেকে বাংলায় অনূদিত হয়েছে। নওয়াজিস খান এই কাব্যটি রচনা করে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে অনুবাদ সাহিত্যের ধারায় বিশেষ অবদান রেখে গেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিগণ ফার্সি ও আরবি ভাষা থেকে বিভিন্ন প্রণয়োপাখ্যান বাংলায় রূপান্তর করেছিলেন। নওয়াজিস খান মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি যিনি ফার্সি কেচ্ছাকাহিনী অবলম্বনে গুলে বাকাওলী কাব্য রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী ব্যাখ্যা: এটি দৌলত কাজীর একটি বিখ্যাত মধ্যযুগীয় প্রণয়োপাখ্যানমূলক কাব্য। উদাহরণ ২: ইউসুফ জোলেখা ব্যাখ্যা: শাহ মোহাম্মদ গরিবুল্লাহ রচিত মধ্যযুগের আরেকটি জনপ্রিয় প্রণয়োপাখ্যান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আব্দুল হাকিম — তিনি মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি যিনি নুরনামা কাব্য রচনা করেছেন। B) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার কবি যিনি পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেছেন। C) দৌলত কাজী — তিনি মধ্যযুগের প্রারম্ভিক যুগের কবি যিনি সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্য রচনা শুরু করেছিলেন। D) নওয়াজিস খান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনিই গুলে বাকাওলী কাব্যের রচয়িতা। ৫. মনে রাখার টিপস: নওয়াজিস খানের নাম মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি গুল নিয়ে বা বাকাওলী গল্প নিয়ে কাজ করেছেন। প্রণয়োপাখ্যান ধারার কবিদের নাম ও তাদের গ্রন্থগুলো আলাদা করে একটি ছোট তালিকা তৈরি করে পড়লে সহজেই মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্য এবং রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন কবি কোন কাব্য রচনা করেছেন তা মুখস্থ রাখার পাশাপাশি কবির যুগ বা পৃষ্ঠপোষকদের নামও জেনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0