প্রশ্নের বর্ণনা

a সপ্তমী তৎপুরুষ
b তৃতীয়া তৎপুরুষ
c উপপদ তৎপুরুষ
d নঞ্ তৎপুরুষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তৃতীয়া তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - মেঘাচ্ছন্ন পদটি ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায় মেঘ দ্বারা আচ্ছন্ন, যেখানে দ্বারা অনুসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী পূর্বপদে তৃতীয়া বিভক্তি বা দ্বারা, দিয়া, কর্তক অনুসর্গ লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদে তৃতীয়া বিভক্তি (কে রে এর ইত্যাদি নয়, এখানে দ্বারা দিয়া কর্তক) লোপ পায় তাকে তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে। - এই সমাসে সাধারণত উপকরণ, মাধ্যম বা কর্তার দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায় এবং ব্যাসবাক্যে দ্বারা, দিয়া বা কর্তক ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মধুমাখা ব্যাখ্যা: মধু দ্বারা মাখা, এখানে দ্বারা অনুসর্গ লোপ পেয়ে তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: শ্রমলব্ধ ব্যাখ্যা: শ্রম দ্বারা লব্ধ, এখানেও দ্বারা অনুসর্গ লোপ পেয়ে তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সপ্তমী তৎপুরুষ — সপ্তমী তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে এ, য়, তে বিভক্তি লোপ পায়, যা মেঘাচ্ছন্ন পদের সঙ্গে মেলে না। B) তৃতীয়া তৎপুরুষ — এটি সঠিক কারণ এখানে দ্বারা অনুসর্গ লোপ পেয়েছে। C) উপপদ তৎপুরুষ — উপপদের সঙ্গে কৃদন্ত পদের যে সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) নঞ্ তৎপুরুষ — না বা অব্যয়বাচক অর্থে যে তৎপুরুষ সমাস হয় তাকে নঞ্ তৎপুরুষ বলে, যা এখানে হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো পদকে ব্যাসবাক্য করার সময় যদি মাঝখানে দ্বারা, দিয়া বা কর্তক আসে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস দাগাবে। - উপকরণ বা মাধ্যমের সাহায্যে কিছু ঢাকা বা পূর্ণ হওয়া বোঝালে তা সাধারণত তৃতীয়া তৎপুরুষ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে অনুসর্গ লোপ পাওয়ার বিষয়টি ভালোভাবে খেয়াল করতে হয়। - দ্বারা, দিয়া, কর্তক থাকলে সবসময় তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস হবে, এই নিয়মটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0