প্রশ্নের বর্ণনা

a সিলেটে
b রাজশাহীতে
c পশিমবঙ্গে
d নবদ্বীপে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নবদ্বীপে ১. কেন সঠিক: শ্রী চৈতন্যদেব ১৪৮৬ খ্রিস্টাব্দের ১৪ই ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার নবদ্বীপ ধামে জন্মগ্রহণ করেন। বৈষ্ণব ধর্মাধর্মে ভক্তিবাদ প্রচারের প্রধান কেন্দ্র ও তাঁর জন্মস্থান হিসেবে নবদ্বীপের ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব অপরিসীম। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শ্রী চৈতন্যদেব ছিলেন মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান প্রেরণা এবং বাংলা সাহিত্যের ভক্তি আন্দোলনের মূল পুরোধা ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবনের ওপর ভিত্তি করে বৃন্দাবনদাস ঠাকুর 'শ্রীচৈতন্যভাগবত' এবং কৃষ্ণদাস কবিরাজ 'শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত' মহাকাব্য রচনা করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৃন্দাবনদাস ঠাকুর রচিত শ্রীচৈতন্যভাগবত। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি শ্রী চৈতন্যদেবের জন্ম ও বাল্যলীলার প্রামাণ্য তথ্য দেয়। উদাহরণ ২: কৃষ্ণদাস কবিরাজ রচিত শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত। ব্যাখ্যা: এটি শ্রী চৈতন্যদেবের সন্ন্যাস জীবন ও দর্শনের প্রধান সাহিত্যিক দলিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেটে — সিলেটে শ্রী চৈতন্যদেবের জন্ম হয়নি, তবে তাঁর পূর্বপুরুষের আদি নিবাস ছিল সিলেটের শ্রীহট্ট অঞ্চলে। B) রাজশাহীতে — রাজশাহী বাংলাদেশের একটি বিভাগ ও জেলা, যেখানে শ্রী চৈতন্যদেবের জন্ম বা ঐতিহাসিক কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। C) পশিমবঙ্গে — পশ্চিমবঙ্গ একটি রাজ্য হলেও জন্মস্থান হিসেবে সুনির্দিষ্ট স্থান নবদ্বীপ উল্লেখ থাকায় এই সাধারণ অপশনটি সঠিক নয়। D) নবদ্বীপে — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি নবদ্বীপেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: শ্রী চৈতন্যদেবের জন্মস্থান মনে রাখার সহজ উপায় হলো চৈতন্য মানেই নবদ্বীপের ভক্তি আন্দোলন। নবদ্বীপের সঙ্গে তাঁর নাম অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শ্রী চৈতন্যদেবের জন্মস্থান এবং তাঁর জীবনের ওপর রচিত মহাকাব্যগুলোর রচয়িতার নাম জানতে চাওয়া হয়। মধ্যযুগের সাহিত্যের ক্ষেত্রে শ্রী চৈতন্যদেবের অবদান সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো নিয়মিত আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0