প্রশ্নের বর্ণনা

a দ্বিজ কানাই
b মনসুর বয়াতী
c ফকীর গরীবউল্লাহ
d নয়ন চাঁদ ঘোষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্বিজ কানাই ১. কেন সঠিক: ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম বিখ্যাত ও জনপ্রিয় পালা 'মহুয়া পালা'-র রচয়িতা হলেন দ্বিজ কানাই। লোকসাহিত্য ও প্রাচীন বাংলার গীতিকাব্য ধারায় এই পালাটির ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক গুরুত্ব অপরিসীম। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: দ্বিজ কানাই ছিলেন ময়মনসিংহ অঞ্চলের একজন প্রতিভাবান গীতিকবি ও পালাকার। ড. দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত ময়মনসিংহ গীতিকার প্রথম ও শ্রেষ্ঠ পালা হিসেবে মহুয়া পালা বিশ্বসাহিত্যেও সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মলুয়া পালা ব্যাখ্যা: এটিও ময়মনসিংহ গীতিকার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও করুণ রসাত্মক পালা। উদাহরণ ২: চন্দ্রাবতী পালা ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতীর জীবন ও সাহিত্যকর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত পালা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিজ কানাই — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মহুয়া পালার মূল রচয়িতা হিসেবে স্বীকৃত। B) মনসুর বয়াতী — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম পালাকার হলেও মহুয়া পালার রচয়িতা নন, তিনি দেওয়ানা মদিনা পালার জন্য বিখ্যাত। C) ফকীর গরীবউল্লাহ — তিনি মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট পুঁথি সাহিত্যিক ও কবি, যিনি আমীর হামজা কাব্য রচনা করেছেন। D) নয়ন চাঁদ ঘোষ — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকার কঙ্ক ও লীলা পালা এবং চন্দ্রাবতী পালার অন্যতম সংকলক ও রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: মহুয়া নামের সঙ্গে কানাই নাম মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে মহুয়া পালার রচয়িতা দ্বিজ কানাই। লোকসাহিত্যের পালাকার মনে রাখার জন্য গীতিকার নাম ও কবির নাম একসঙ্গে ছক করে পড়বে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রাহক ড. দীনেশচন্দ্র সেন এবং এটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে। এই ধরনের প্রশ্ন BCS ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই গীতিকার নাম ও রচয়িতা ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0