প্রশ্নের বর্ণনা

a হুসেন শাহ
b বারবক শাহ
c ইউসুফ শাহ
d নসরত শাহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইউসুফ শাহ ১. কেন সঠিক: কবি জৈনুদ্দিন সুলতান রুকনউদ্দিন বারবক শাহের পুত্র ইউসুফ শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় তার বিখ্যাত 'রাসুল বিজয়' কাব্য রচনা করেন। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে সুলতানি আমলের রাজন্যবর্গের পৃষ্ঠপোষকতা পুথি সাহিত্য ও মঙ্গলকাব্যের প্রসারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি জৈনুদ্দিন ছিলেন মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট পুথি সাহিত্যের কবি যিনি ইসলামি ও ঐতিহাসিক আখ্যান অবলম্বনে কাব্য রচনা করেন। 'রাসুল বিজয়' কাব্যটি মূলত ইসলামের প্রচার এবং নবী মোহাম্মদের বিজয়গাথা নিয়ে রচিত মধ্যযুগের একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাবরিদ খানের 'হানিফা ও নামরুদ' কাব্য। ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের এই কাব্যটিও মুসলিম শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায় রচিত হয়েছিল যা ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক আখ্যানের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: শাহ সুলতানের 'সব মওলুদের কেচ্ছা'। ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের দ্বারা রচিত ধর্মীয় ভাবধারার একটি অমর সাহিত্যকর্ম যা তৎকালীন সমাজকে প্রভাবিত করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুসেন শাহ — আলাওল বা বিপ্রদাস পিপিলাইয়ের মতো কবিরা হুসেন শাহের আমলে পৃষ্ঠপোষকতা পেলেও কবি জৈনুদ্দিন তার পৃষ্ঠপোষকতায় কাব্য লেখেননি। B) বারবক শাহ — রুকনউদ্দিন বারবক শাহের আমলেই জৈনুদ্দিন কাব্য চর্চা শুরু করলেও 'রাসুল বিজয়' কাব্যটি তার পুত্র ইউসুফ শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় রচিত হয়। D) নসরত শাহ — হোসেন শাহের পুত্র নসরত শাহের আমলে শ্রীকর নন্দী মহাভারত অনুবাদ করেছিলেন কিন্তু জৈনুদ্দিনের কাব্য তার আমলে রচিত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: জৈনুদ্দিনের বিজয় মানেই ইউসুফের জয়, এভাবে মনে রাখলে কবি জৈনুদ্দিন ও ইউসুফ শাহের সম্পর্ক সহজে মনে থাকবে। মধ্যযুগের কবি ও পৃষ্ঠপোষকদের নাম জোড়ায় জোড়ায় মুখস্থ করা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য কার্যকরী কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য বা পুথি সাহিত্যের ক্ষেত্রে রাজা বা সুলতানদের পৃষ্ঠপোষকতা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য কবির নাম এবং তার পৃষ্ঠপোষক সুলতানের নাম একসাথে নোট করে পড়তে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0