প্রশ্নের বর্ণনা

a পুঁথি
b উপকথা
c দোভাষী সাহিত্য
d নাথ সাহিত্য
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দোভাষী সাহিত্য ১. কেন সঠিক: শায়ের বা মুসলিম কবিগণ বাংলা, আরবি ও ফারসি শব্দের সংমিশ্রণে পুঁথি সাহিত্য রচনা করতেন, যা মূলত দোভাষী সাহিত্য নামে পরিচিত। মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম সমাজে ইসলামি ঐতিহ্য ও কাহিনি প্রচারের উদ্দেশ্যে এই বিশেষ ভাষা ও সাহিত্যধারার সৃষ্টি হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিগণ শায়ের বা পুঁথিকার হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং তারা এই ধারার প্রধান প্রবক্তা। দোভাষী পুথিগুলোতে আরবি, ফারসি ও হিন্দি শব্দের প্রচুর ব্যবহার দেখা যায় এবং এগুলো ইসলামি ইতিহাস ও সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ হামজার আমির হামজা কাব্য ব্যাখ্যা: এটি দোভাষী সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন যেখানে আরবি ও ফারসি সংস্কৃতির প্রভাব স্পষ্ট। উদাহরণ ২: দৌলত উজির বাহরাম খানের লায়লী মজনু ব্যাখ্যা: এই কাব্যটিও মধ্যযুগের মিশ্র ভাষার প্রভাবে রচিত এবং শায়েরি ঐতিহ্যের অংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুঁথি — পুঁথি হলো সাহিত্যের একটি রূপ বা মাধ্যম, কিন্তু শায়েরদের রচিত সমগ্র বিশেষ ভাষাবৈশিষ্ট্যপূর্ণ সাহিত্যধারাকে সামগ্রিকভাবে দোভাষী সাহিত্য বলা হয়। B) উপকথা — উপকথা হলো লোকসাহিত্যের একটি রূপ যেখানে নীতিশিক্ষা থাকে, যা শায়েরদের রচিত ধর্মীয় বা ঐতিহাসিক কাব্যের সঙ্গে মেলে না। C) দোভাষী সাহিত্য — এটি সঠিক উত্তর। D) নাথ সাহিত্য — নাথ সাহিত্য হলো বৌদ্ধ সহজিয়া ও নাথ ধর্মাধর্ম ভিত্তিক সাহিত্য, যা শায়েরদের ইসলামি চেতনাভিত্তিক সাহিত্য থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ৫ মনে রাখার টিপস: শায়ের মানেই মিশ্র ভাষা বা দোভাষী সাহিত্য। মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্যে আরবি ও ফারসি শব্দের মিশ্রণ থাকায় একে দোভাষী সাহিত্য বলা হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের মুসলিম কবি ও তাদের রচিত কাব্য নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। দোভাষী পুথির মূল বৈশিষ্ট্য হলো এতে বাংলা ভাষার পাশাপাশি প্রচুর আরবি ও ফারসি শব্দের ব্যবহার থাকে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0