প্রশ্নের বর্ণনা

a বিশেষ্যের বিশেষণ
b ক্রিয়া বিশেষণ
c বিশেষণের বিশেষণ
d নাম বিশেষণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশেষণের বিশেষণ ১. কেন সঠিক: - এখানে 'বলল' হলো একটি ক্রিয়া পদ। এই ক্রিয়াটি কীভাবে সম্পাদিত হলো, তা বোঝাচ্ছে 'আসছে' উক্তিটির মাধ্যমে, আর 'সভয়ে' শব্দটি নির্দেশ করছে 'লোকটি' বিশেষ্য পদের অবস্থা বা ভাব। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে বিশেষণ পদ অন্য কোনো বিশেষণ পদকে বিশেষিত করে, তাকে বিশেষণের বিশেষণ বলে। এখানে 'ভীত' বা 'সন্ত্রস্ত' অবস্থার তীব্রতা বোঝাতে 'সভয়ে' বিশেষণটি ব্যবহার করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ বিশেষ্য, সর্বনাম বা গুণের দোষ, গুণ, অবস্থা, পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ বলে। আর বিশেষণ যখন অন্য কোনো বিশেষণ, অব্যয় বা ক্রিয়াবিশেষণের দোষ, গুণ বা মাত্রা প্রকাশ করে, তখন তাকে বিশেষণের বিশেষণ বা বিশিষ্যের বিশেষণ বলা হয়। - প্রদত্ত বাক্যে 'লোকটি' বিশেষ্য পদের একটি মানসিক অবস্থা প্রকাশ করছে 'সভয়ে' শব্দটি, যা মূলত বাক্যের ভেতরের একটি অবস্থাগত বিশেষণের রূপকে আরও স্পষ্ট করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতি সুন্দর পাখিটি উড়ে গেল। ব্যাখ্যা: এখানে 'সুন্দর' হলো বিশেষণ এবং 'অতি' শব্দটি সুন্দর বিশেষণটিকে আরও বেশি বিশেষিত করেছে বলে 'অতি' হলো বিশেষণের বিশেষণ। উদাহরণ ২: সে অত্যন্ত দ্রুত দৌড়ায়। ব্যাখ্যা: এখানে 'দ্রুত' হলো ক্রিয়াবিশেষণ এবং 'অত্যন্ত' শব্দটি দ্রুততার মাত্রা বাড়িয়ে দিয়ে বিশেষণের বিশেষণের কাজ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্যের বিশেষণ — এই অপশনটি ভুল কারণ বিশেষ্যের বিশেষণ কেবল বিশেষ্য পদের দোষ বা গুণ প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে 'সভয়ে' পদটি অন্য একটি বিশেষণ বা ভাবকে প্রকাশ করছে। B) ক্রিয়া বিশেষণ — এই অপশনটি ভুল কারণ ক্রিয়া বিশেষণ শুধুমাত্র ক্রিয়ার সংঘটন কাল, স্থান বা ভাব প্রকাশ করে, যা এখানে সরাসরি ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত নয়। D) নাম বিশেষণ — এই অপশনটি ভুল কারণ নাম বিশেষণ সরাসরি কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদকে বিশেষিত করে, কিন্তু এখানে পদের পারস্পরিক সম্পর্ক ভিন্ন। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো বিশেষণ পদের ঠিক আগে যদি অতি, খুব, বেশ, একদম, সভয়ে জাতীয় শব্দ বসে তার মাত্রা বা ভাব প্রকাশ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে বিশেষণের বিশেষণ হিসেবে চিহ্নিত করবে। - বাক্যের ভেতরের মূল বিশেষণকে কে বা কেমন প্রশ্ন করে যদি আরেকটি বিশেষণের সন্ধান পাও, তবে তা বিশেষণের বিশেষণ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষণের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে বিশেষণের বিশেষণ চেনার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা কনফিউজড হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য প্রথমে বাক্যের মূল বিশেষ্য ও ক্রিয়া খুঁজে বের করে তাদের মধ্যকার পদের পারস্পরিক সম্পর্ক খেয়াল করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0