প্রশ্নের বর্ণনা

a বিপ্রদাস পিপিলাই
b কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ
c বিজয় গুপ্ত
d নারায়ণদেব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিপ্রদাস পিপিলাই ১. কেন সঠিক: - 'মনসাবিজয়' কাব্যের রচয়িতা বিপ্রদাস পিপিলাই। মনসা মঙ্গল কাব্যের ধারায় এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণিক গ্রন্থ। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য বিশেষ করে মঙ্গলকাব্যের ইতিহাসে মনসা মঙ্গল বা পদ্মাপুরাণ কাব্যের বিশেষ স্থান রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপ্রদাস পিপিলাই মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম প্রখ্যাত কবি। তাঁর 'মনসাবিজয়' কাব্যটি ১৪৯৫ খ্রিস্টাব্দে (সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের আমলে) রচিত হয়। - এই কাব্যে মনসা দেবীর পূজা প্রচার এবং চাঁদ সওদাগরের সঙ্গে দেবীর দ্বন্দ্ব ও পরিশেষে মনসার মাহাত্ম্য প্রতিষ্ঠার কাহিনি সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ রচিত 'মনসামঙ্গল' ব্যাখ্যা: এটিও মনসা মঙ্গল ধারার একটি জনপ্রিয় কাব্য, যার রচয়িতা কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ। উদাহরণ ২: বিজয় গুপ্ত রচিত 'পদ্মপুরাণ' ব্যাখ্যা: এটি মনসা মঙ্গল কাব্যের আদি ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন, যা বরিশালের কালাৈয়া গ্রামে রচিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিপ্রদাস পিপিলাই — এটি সঠিক উত্তর। B) কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ — তিনি 'মনসামঙ্গল' বা 'মনসার ভাসান' কাব্যের রচয়িতা, 'মনসাবিজয়' নামের কাব্যের নন। C) বিজয় গুপ্ত — তিনি 'পদ্মপুরাণ' বা 'মনসামঙ্গল' কাব্যের রচয়িতা, যা 'মনসাবিজয়' নামে পরিচিত নয়। D) নারায়ণদেব — তিনি মনসা মঙ্গল ধারার অন্যতম আদি কবি এবং তাঁর কাব্যের নাম 'পদ্মাপুরাণ'। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিপ্রদাসের বিজয়ী মন: এই সহজ কৌশল দিয়ে মনে রাখতে পারেন যে বিপ্রদাস পিপিলাই 'মনসাবিজয়' রচনা করেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলোর বিকল্প নাম এবং বিভিন্ন কবির কাব্যের নাম প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - কবিদের মূল নাম এবং তাঁদের কাব্যের নাম আলাদা করে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0