প্রশ্নের বর্ণনা

a উপমান কর্মধারয়
b উপমিত কর্মধারয়
c উপপদ তৎপুরুষ
d নিত্য সমাস
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপপদ তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: যে পদের পরবর্তী অংশে কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত শব্দ থাকে এবং তার আগের পদটি বিশেষ্য বা বিশেষণের কাজ করে তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে। এখানে ধামা ধরে যে, এই বাক্যের ব্যাসবাক্যে ধরা হলো কৃদন্ত পদ এবং ধামা হলো তার উপপদ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলা হয়। এই সমাসে ব্যাসবাক্য সাধারণত যে বা যিনি দিয়ে সম্প্রসারণ করা হয় এবং সমাসবদ্ধ পদে কৃদন্ত পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঙ্কে জন্ম যার = পঙ্কজ। পঙ্ক হলো উপপদ এবং জ হলো কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত পদ। ব্যাখ্যা: এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত ও আদর্শ উদাহরণ। উদাহরণ ২: জলে চরে যে = জলচর। জল হলো উপপদ এবং চর হলো কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত পদ। ব্যাখ্যা: পানির মধ্যে বিচরণ করা বোঝাতে এই উপপদ তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপমান কর্মধারয় — উপমান কর্মধারয় সমাসে একটি পদ অপর পদের সঙ্গে সাধারণ গুণের তুলনা বোঝায় যেখানে একটি পদ অপরটির মাপকাঠি হয় কিন্তু ধামাধরা শব্দের অর্থ তুলনা নয়। B) উপমিত কর্মধারয় — উপমিত কর্মধারয় সমাসে উপমেয়ের সঙ্গে উপমানের তুলনা করা হয় এবং সাধারণ গুণটি উহ্য থাকে যা ধামাধরা শব্দের গঠনে অনুপস্থিত। D) নিত্য সমাস — নিত্য সমাস হলো এমন সমাস যেখানে পদের কোনো পরিবর্তন বা ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয় না কিন্তু ধামাধরা শব্দের নির্দিষ্ট ব্যাসবাক্য ও উপপদ রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: যে সমস্ত সমাসের ব্যাসবাক্যের শেষে যে বা যারা থাকে এবং কৃদন্ত পদ থাকে সেগুলোকে সাধারণত উপপদ তৎপুরুষ সমাস হিসেবে মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের কৃদন্ত পদযুক্ত শব্দ দিয়ে উপপদ তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রশ্ন আসে। তাই কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত শব্দ চেনার অভ্যাস করলে খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0