প্রশ্নের বর্ণনা

a অলুক সমাস
b রূপক সমাস
c প্রাদি সমাস
d নিত্য সমাস
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রাদি সমাস ১. কেন সঠিক: প্রকৃতপক্ষে পূর্বপদে উপসর্গ বা প্রাদি (প্র, পরা, প্রতি ইত্যাদি) যুক্ত হয়ে যদি কোনো সমাস গঠিত হয় এবং তা যদি বিশেষ্য পদ রূপে প্রতীয়মান হয়, তবে তাকে প্রাদি সমাস বলা হয়। এখানে প্র, পরা, প্রতি ইত্যাদি উপসর্গ বা উপসর্গস্থানীয় অব্যয় কৃৎ বা পদের পূর্বে বসে এই বিশেষ ধরনের সমাস তৈরি করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসে প্র, পরা, প্রতি প্রভৃতি উপসর্গ বা উপসর্গস্থানীয় অব্যয় পূর্বে বসে এবং কৃদন্ত পদের সঙ্গে সমাস হয়, তাকে প্রাদি সমাস বলে। এটি মূলত এক ধরণের অব্যয়ীভাব বা কর্মধারয় সমাসের বিশেষ রূপ, যেখানে উপসর্গগুলো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রগতি = গতিকে প্র (প্রকৃষ্টরূপে গতি) ব্যাখ্যা: এখানে 'প্র' উপসর্গ পূর্বে বসে প্রাদি সমাস গঠন করেছে। উদাহরণ ২: পরিভাষা = ভাষার পরি (উৎকৃষ্ট ভাষা) ব্যাখ্যা: এখানে 'পরি' উপসর্গ যুক্ত হয়ে প্রাদি সমাসের উদাহরণ তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলুক সমাস — যে সমাসের কোনো পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক সমাস বলে, যা উপসর্গের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) রূপক সমাস — উপমান ও উপমিত কর্মধারয় সমাসের যেখানে অভেদ কল্পনা করা হয়, তাকে রূপক সমাস বলে। D) নিত্য সমাস — যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না বা করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রাদি সমাস চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের শুরুতে প্র, পরা, পরি, প্রতি ইত্যাদি উপসর্গ থাকা। প্রগতি বা পরিভাষা দেখলে প্রথম অংশটি উপসর্গ কি না তা মিলিয়ে দেখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষায় প্রাদি সমাসের উদাহরণ হিসেবে প্রগতি ও পরিভাষা অত্যন্ত জনপ্রিয়। উপসর্গ চেনার মাধ্যমে এই ধরনের সমাস খুব সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0