প্রশ্নের বর্ণনা

a নিশিথিনী
b নিশীথীনি
c নিশিথীনি
d নিশীথিনী
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিশীথিনী ১. কেন সঠিক: - নিশীথ শব্দের অর্থ মধ্যরাত বা গভীর রাত। এর সঙ্গে ইনী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিশীথিনী শব্দটি গঠিত হয়েছে। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী নিশীথ শব্দের প্রথম দীর্ঘী এবং থ-এ দীর্ঘীকার অপরিবর্তিত থাকে এবং পরবর্তীতে দীর্ঘী ও মূর্ধন্য-ন ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানে ই-কার ও ঈ-কারের ব্যবহার একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত নিয়ম। তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ই এবং ঈ-এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হয়। - নিশীথিনী একটি তৎসম শব্দ যেখানে প্রকৃতি ও প্রত্যয়গত কারণে দীর্ঘ স্বরবর্ণের সঠিক প্রয়োগ ঘটে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিভাবরী ব্যাখ্যা: এটি নিশীথিনী শব্দের সমার্থক একটি শব্দ যার অর্থ রাত বা রাত্রি। উদাহরণ ২: যামিনী ব্যাখ্যা: এটিও রাতের আরেকটি প্রতিশব্দ যা ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ এবং তৎসম শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশিথিনী — নিশিথ শব্দে হ-এ হ্রস্ব ই-কার ব্যবহারের কারণে এই বানানটি ভুল হয়েছে। B) নিশীথীনি — নিশীথীনি শব্দে শেষ বর্ণ ন-এ হ্রস্ব ই-কার ব্যবহারের কারণে এটি অশুদ্ধ। C) নিশিথীনি — নিশিথ এবং থ-এ দীর্ঘীকার ও শেষ ন-এ হ্রস্ব ই-কার থাকায় এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল। D) নিশীথিনী — এই অপশনটি বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী শতভাগ সঠিক ও প্রমিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিশীথ শব্দটির বানানে দুটি দীর্ঘীকার থাকে এবং এর সঙ্গে ইনী যুক্ত হলে প্রথম অংশে কোনো পরিবর্তন হয় না। - মধ্যরাতের এই বিশেষ রূপটি মনে রাখতে নিশীথ বানানটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলেই শেষের অংশ সহজ হয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রাত্রিবাচক শব্দগুলোর বানান যেমন নিশীথিনী, বিভাবরী ও যামিনী পরীক্ষিত হয়। - তৎসম শব্দের দীর্ঘী ও ন-ত্ব বিধানের নিয়মগুলো বারবার অনুশীলন করলে এ ধরনের বানান সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0