প্রশ্নের বর্ণনা

a আতিশয্য
b বিশেষ্য
c অতিশয়
d নিশ্চয়
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অতিশয় ১. কেন সঠিক: - সুনিপুণ শব্দটিতে সু উপসর্গটি অতিশয় বা সম্যক্ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। - এখানে নিপুণ শব্দের মাত্রা বা তীব্রতা বোঝাতে সু উপসর্গ যোগ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। - সু একটি অতিপরিচিত তৎসম উপসর্গ যা ভালো, সুন্দর, শ্রেষ্ঠ কিংবা অতিশয় অর্থে নানা শব্দে যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুপরিচিত ব্যাখ্যা: এখানে সু উপসর্গটি বিশেষ বা ভালো পরিচিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: সুকঠিন ব্যাখ্যা: এখানে সু উপসর্গটি অতিশয় বা অত্যন্ত কঠিন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আতিশয্য — আতিশয্য শব্দটি বিশেষ্য পদ এবং ভাবের দিক থেকে অপূর্ণ বা ভুল কাঠামোর কারণে এখানে প্রযোজ্য নয়। B) বিশেষ্য — বিশেষ্য হলো পদের একটি নাম, যা কোনো উপসর্গ বা শব্দের অর্থ প্রকাশের সুনির্দিষ্ট উপসর্গার্থ হতে পারে না। C) অতিশয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ সুনিপুণ শব্দের সু উপসর্গটি পূর্ণতা ও আধিক্য বা অতিশয় অর্থ প্রকাশ করে। D) নিশ্চয় — নিশ্চয় অর্থ দৃঢ়তা বা সত্যতা, যা সুনিপুণ শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সু উপসর্গ যখন কোনো বিশেষণের পূর্বে বসে তার তীব্রতা বা মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, তখন তা অতিশয় অর্থ প্রকাশ করে। - যেমন সুনিপুণ অর্থ অতিশয় নিপুণ বা অত্যন্ত দক্ষ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত শব্দের অর্থ নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - শব্দের মূল অর্থের সঙ্গে উপসর্গ যোগ হয়ে যে ভাবান্তর ঘটে, তা লক্ষ করলে উত্তর সহজে মেলানো যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0