প্রশ্নের বর্ণনা

a আশ্চর্য
b আবিষ্কার
c বৃষ্টি
d নীরস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আশ্চর্য ১. কেন সঠিক: নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলো সেই সকল সন্ধি যা সাধারণ ব্যাকরণের কোনো নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না এবং প্রাকৃতির নিয়মেই সাধিত হয়। আশ্চর্যের ক্ষেত্রে আ+চর্য যুক্ত হয়ে এই বিশেষ প্রক্রিয়ায় গঠিত হয়েছে, যা কোনো সাধারণ নিয়ম দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সন্ধি মূলত দুই প্রকারের হয়, যার একটি স্বরসন্ধি এবং অন্যটি ব্যঞ্জনসন্ধি। বাংলা ব্যাকরণে কিছু সন্ধি আছে যা প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে সাধিত হয়, এদের নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। এই শব্দগুলোর ক্ষেত্রে প্রচলিত ব্যাকরণের নিয়ম প্রয়োগ করলে সঠিক ফলাফল পাওয়া যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরস্পর ব্যাখ্যা: এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি যার সঠিক বিচ্ছেদ হলো প্র+পর এবং এটি কোনো সাধারণ নিয়ম মানে না। উদাহরণ ২: গবেষণা ব্যাখ্যা: এটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ যার সঠিক বিচ্ছেদ হলো গো+ষণা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আশ্চর্য — এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির সঠিক উদাহরণ এবং এটি কোনো সাধারণ নিয়ম না মেনে গঠিত হয়েছে। B) আবিষ্কার — এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত শব্দ, যার সঠিক বিচ্ছেদ হলো আবিঃ+কার। C) বৃষ্টি — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী গঠিত শব্দ, যার সঠিক বিচ্ছেদ হলো বৃষ্+তি। D) নীরস — এটিও বিসর্গ সন্ধির একটি নির্দিষ্ট নিয়মে গঠিত শব্দ, যার সঠিক বিচ্ছেদ হলো নিঃ+রস। ৫ মনে রাখার টিপস: নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো সহজে মনে রাখার জন্য বারবার চর্চা করতে হবে। পরীক্ষায় আসা কমন শব্দ যেমন আশ্চর্য, পরস্পর, গবেষণা ইত্যাদি মুখস্থ রাখা সবচেয়ে ভালো কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সাধারণ নিয়ম না মেনে চলা শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0