প্রশ্নের বর্ণনা

a লঙ সাহেবকে জরিমানা করার জন্য
b নীলদর্পণ নাটকের ইংরেজি অনুবাদের প্রেক্ষিতে
c নীলদর্পণ নাটক প্রকাশের প্রেক্ষিতে
d নীল চাষের উদ্যোগ প্রেক্ষিতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নীলদর্পণ নাটক প্রকাশের প্রেক্ষিতে কেন সঠিক: দীনবন্ধু মিত্রের রচিত নীলদর্পণ নাটকটি ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়। এই নাটক প্রকাশের ফলে ব্রিটিশ সরকারের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি হয় এবং নীলকর সাহেবদের অত্যাচার বন্ধ করতে ইন্ডিগো কমিশন গঠিত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: উনিশ শতকের বাংলা নাট্যসাহিত্যে সামাজিক প্রবঞ্চনা ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক অনন্য দলিল হলো নীলদর্পণ নাটক। বাঙালি সমাজের ওপর ব্রিটিশ নীলকরদের নির্মম অত্যাচারের বাস্তব চিত্র এই নাটকে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। যেমন: এই নাটকের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা জনসমক্ষে আসে এবং তা আইনি পদক্ষেপ গ্রহণে বাধ্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লঙ সাহেবকে জরিমানা করার জন্য — জেমস লং সাহেবকে নীলদর্পণ নাটক অনুবাদের দায়ে জরিমানা করা হয়েছিল, যা কমিশন গঠনের মূল কারণ নয়। B) নীলদর্পণ নাটকের ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশের প্রেক্ষিতে — নাটকটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছিল, কিন্তু কমিশন গঠনের মূল অনুঘটক ছিল এর মূল বাংলা প্রকাশনা। C) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো অতিরিক্ত কারণ প্রযোজ্য নয়। D) নীল চাষের উদ্যোগ প্রেক্ষিতে — নীল চাষ তো অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছিল, কিন্তু এর বিরুদ্ধে আইনি কমিশন গঠনের প্রধান অনুঘটক ছিল নাটকটির প্রকাশ। মনে রাখার টিপস: নীলদর্পণ নাটক প্রকাশ হলো সেই ঐতিহাসিক ঘটনা, যা ইন্ডিগো কমিশন গঠনের পথ প্রশস্ত করেছিল। দীনবন্ধু মিত্রের এই সাহিত্যকর্ম ব্রিটিশ শোষণের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছিল।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0