প্রশ্নের বর্ণনা

a অম্বু
b কান্না
c গজ
d নেব্রবারি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গজ ১. কেন সঠিক: - ‘হাতি’ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো ‘গজ’। এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ হস্তী বা বন্য বিশাল আকৃতির স্তন্যপায়ী প্রাণী। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডার থেকে সরাসরি এই প্রশ্নটি করা হয়ে থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলো যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়। বাংলা ভাষায় শব্দের উৎস অনুযায়ী সমার্থক শব্দগুলো তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব বা দেশি হতে পারে। - ‘হাতি’ শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দগুলোর মধ্যে রয়েছে হস্তী, করী, বারণ, মাতঙ্গ, দ্বীপ, দন্তী ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনের রাজা সিংহ হলেও আকারে সবচেয়ে বড় স্থলচর প্রাণী হলো গজ। ব্যাখ্যা: এখানে ‘গজ’ শব্দটি সরাসরি হাতি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রাচীন ভারতীয় সেনাবাহিনীতে হস্তীবাহিনী বা গজবাহিনী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ ছিল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ‘গজ’ শব্দটির মাধ্যমে যুদ্ধক্ষেত্রের হাতিকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অম্বু — এই শব্দের অর্থ পানি বা জল, যা হাতি শব্দের সমার্থক নয়। B) কান্না — এই শব্দের অর্থ রোদন বা অশ্রুপাত, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ভাব প্রকাশ করে। C) গজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ হাতি। D) নেব্রবারি — এটি বাংলা ভাষার কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা হাতির সমার্থক শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হাতি শব্দটির সমার্থক মনে রাখার জন্য গজ, হস্তী ও মাতঙ্গ শব্দগুলো একত্রে ছন্দে মিলিয়ে পড়তে পারো। - পরীক্ষায় তৎসম শব্দের সমার্থক হিসেবে গজ ও মাতঙ্গ সবচেয়ে বেশি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাণীবাচক শব্দের সমার্থক যেমন হাতি, ঘোড়া ও সিংহের সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই পুনরাবৃত্তি হয়। - প্রমিত বাংলা শব্দকোষ থেকে তৎসম ও তদ্ভব শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এসব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া সহজ হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0