প্রশ্নের বর্ণনা

a সান্ধ্য প্রকৃতি
b ক্রিয়া প্রকৃতি
c নাম প্রকৃতি
d নৈশ প্রকৃতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাম প্রকৃতি ১. কেন সঠিক: তদ্ধিত প্রত্যয় সবসময় নাম প্রকৃতির (বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের মূল অংশ) সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। নাম প্রকৃতি হলো এমন শব্দমূল যার সঙ্গে কোনো ক্রিয়াপদ বা কাজের ভাব জড়িত থাকে না, যেমন কোনো বস্তু, গুণ বা ব্যক্তির নাম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার, যথা কৃৎ প্রত্যয় এবং তদ্ধিত প্রত্যয়। ক্রিয়াপদের মূল বা ধাতু প্রকৃতির সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে এবং নাম প্রকৃতির সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুখ + ইক = মৌখিক ব্যাখ্যা: এখানে মুখ হলো একটি নাম প্রকৃতি এবং এর সঙ্গে ইক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ঢাকা + আইয়া = ঢাকাইয়া ব্যাখ্যা: এখানে ঢাকা একটি স্থানবাচক নাম প্রকৃতি এবং এর সঙ্গে আইয়া প্রত্যয় যুক্ত হয়ে তদ্ধিতান্ত পদ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সান্ধ্য প্রকৃতি - এটি কোনো ব্যাকরণগত পরিভাষা নয় বরং সন্ধ্যা শব্দের একটি বিশেষ রূপ। B) ক্রিয়া প্রকৃতি - এটি কৃৎ প্রত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়, তদ্ধিত প্রত্যয়ের সঙ্গে নয়। D) নৈশ প্রকৃতি - এটিও ব্যাকরণের কোনো প্রত্যয় নির্ণয়ের স্বীকৃত পরিভাষা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: তদ্ধিত প্রত্যয় মনে রাখার সহজ উপায় হলো তদ্ধিত শব্দের শুরুতে ত আছে এবং নাম প্রকৃতির নাম শব্দের শুরুতেও ন বা ত জাতীয় ধারণা থাকে। ধাতুর সাথে কৃৎ প্রত্যয় এবং নাম শব্দের সাথে তদ্ধিত প্রত্যয় বসে, এই নিয়মটি মনে রাখলেই ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কৃৎ প্রত্যয় এবং তদ্ধিত প্রত্যয়ের ভিত্তি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। ক্রিয়ামূল দেখলে কৃৎ প্রত্যয় এবং নাম শব্দ বা বিশেষ্য-বিশেষণ দেখলে তদ্ধিত প্রত্যয় দাগাতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0