প্রশ্নের বর্ণনা

a দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
b তৃতীয়া তৎপুরুষ
c চতুর্থী তৎপুরুষ
d পঞ্চমী তৎপুরুষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পঞ্চমী তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - স্কুল পালানো শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো স্কুল হইতে পালানো, যেখানে অপাদান কারকে হতে বা থেকে অনুসর্গের ব্যবহার রয়েছে। - তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে পূর্বপদের বিভক্তি বা অনুসর্গ লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, এখানে পঞ্চমী বিভক্তি বা অনুসর্গের অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় এটি পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী পর্যন্ত কোনো বিভক্তি বা অনুসর্গ লোপ পায়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - বিশেষ করে যাদি পূর্বপদে হইতে, থেকে, চে ইত্যাদি পঞ্চমী বিভক্তি বা অনুসর্গ লোপ পায় এবং এর দ্বারা চ্যুতি, ভীতি, মুক্তি বা দূরত্বের অর্থ প্রকাশ পায়, তবে তাকে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খাঁচা ছাড়া ব্যাখ্যা: খাঁচা হইতে ছাড়া বোঝাতে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস হয়, যা ভীতি বা মুক্তির অর্থ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: জেল থেকে মুক্ত ব্যাখ্যা: জেল হইতে মুক্ত বোঝাতে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস হয়, যা মূল স্থান বা অবস্থা থেকে চ্যুতির অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিতীয়া তৎপুরুষ — দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে পূর্বপদের কে বা রে বিভক্তি লোপ পায়, কিন্তু এখানে হইতে অনুসর্গ রয়েছে। B) তৃতীয়া তৎপুরুষ — তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে পূর্বপদের দ্বারা, দিয়া বা কর্তক অনুসর্গ লোপ পায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) চতুর্থী তৎপুরুষ — চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে পূর্বপদের জন্য বা নিমিত্ত অর্থে বিভক্তি লোপ পায়, যা এই শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) পঞ্চমী তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে হইতে বা থেকে অনুসর্গ লোপ পেয়ে অপাদান বা পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস গঠন করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দে যদি ভয়, চ্যুতি, মুক্তি, গৃহচ্যুতি বা পালানো বোঝাতে হতে, থেকে, চে অনুসর্গ থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তির সঙ্গে মিল রেখে তৎপুরুষ সমাস প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - বিশেষ করে উৎস, চ্যুতি বা পালানোর ক্ষেত্রে সবসময় পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস হয়, এই নিয়মটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0