প্রশ্নের বর্ণনা

a একান্নটি
b ছেচল্লিশটি
c সাড়ে ছেচল্লিশটি
d পঞ্চাশটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাড়ে ছেচল্লিশটি কেন সঠিক: চর্যাপদের মূল পুথিতে মোট পদের সংখ্যা ছিল পঞ্চাশটি কিন্তু আবিষ্কারের সময় কিছু পদ নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে সম্পূর্ণ পাওয়া গেছে ছেচল্লিশটি এবং ছেচল্লিশ নম্বর পদের মাত্র কিছু অংশ অবশিষ্ট আছে। আংশিক পাওয়া যাওয়া এই পদটিকে গণনার সুবিধার্থে অর্ধেক বা সাড়ে ধরা হয়েছে, যার ফলে পদের মোট সংখ্যা হিসাব করা হয় সাড়ে ছেচল্লিশটি হিসেবে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হলো চর্যাপদ যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা পদ সংকলন হিসেবে রচিত হয়েছিল। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাপদের এই প্রাচীন পুথিটি আবিষ্কার এবং প্রকাশ করেছিলেন। চর্যাপদের ভাষা হলো সন্ধ্যভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা, যা বাংলা ভাষার আদি রূপ হিসেবে ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক বিচারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একান্নটি — এই সংখ্যাটি চর্যাপদের মোট পদের প্রকৃত সংখ্যা নয় কারণ পুথিতে কখনোই একান্নটি পদ ছিল না বা পাওয়া যায়নি। B) ছেচল্লিশটি — পুথিতে সম্পূর্ণ পাওয়া যাওয়া পদের সংখ্যা ছেচল্লিশটি হলেও আংশিক পাওয়া একটি পদ বাদ দেওয়ায় এটি সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর নয়। C) সাড়ে ছেচল্লিশটি — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রশ্নে চাওয়া উত্তরটি এটিই নির্দেশ করে। D) পঞ্চাশটি — চর্যাপদের মূল পুথিতে সূচিপত্র অনুযায়ী পঞ্চাশটি পদ থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে সবগুলো অক্ষত বা সম্পূর্ণ পাওয়া যায়নি। মনে রাখার টিপস: চর্যাপদের মোট পদ মনে রাখার সহজ উপায় হলো মূল সংখ্যা ছিল পঞ্চাশটি, পাওয়া গেছে সাড়ে ছেচল্লিশটি। পরীক্ষায় বিভ্রান্ত হওয়ার জন্য পঞ্চাশ ও ছেচল্লিশ সংখ্যাগুলো দেওয়া থাকে, তাই সাড়ে ছেচল্লিশ সংখ্যাটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0