প্রশ্নের বর্ণনা

a অনুসর্গের
b বিভক্তির
c উপসর্গের
d পদাশ্রি অব্যয়ের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপসর্গের ১. কেন সঠিক: উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। এগুলোর নিজস্ব কোনো স্বতন্ত্র অর্থ বা ব্যবহার নেই, কিন্তু এরা নতুন শব্দ সৃজন করতে পারে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব অব্যয় শব্দ বা শব্দাংশ ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থের দ্যোতনা সৃষ্টি করে তাদের উপসর্গ বলে। বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ প্রধানত তিন প্রকার যেমন বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হার (পরাজয়) শব্দের পূর্বে প্র উপসর্গ যোগে প্রহার (প্রহার করা) শব্দটি গঠিত হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে হার শব্দের অর্থ বদলে সম্পূর্ণ নতুন অর্থযুক্ত প্রহার শব্দ তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: কাজ শব্দের পূর্বে কু উপসর্গ যোগে কুকাজ শব্দটি গঠিত হয়েছে। ব্যাখ্যা: কু উপসর্গের নিজের কোনো পূর্ণ অর্থ নেই, তবে এটি কাজ শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ সৃষ্টি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুসর্গের — অনুসর্গের নিজস্ব স্বাধীন অর্থ থাকে এবং এগুলো শব্দের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করে। B) বিভক্তির — বিভক্তির নিজস্ব কোনো অর্থ নেই এবং এগুলো নতুন শব্দ তৈরি করে না, বরং পদের পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝায়। C) উপসর্গের — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর নিজস্ব অর্থবাচকতা না থাকলেও নতুন শব্দ সৃজনের ক্ষমতা আছে। D) পদাশ্রি অব্যয়ের — পদাশ্রিত অব্যয় নির্দিষ্টতা বা অনির্দিষ্টতা বোঝায় এবং এগুলো নতুন শব্দ তৈরি করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: উপসর্গ শব্দের সামনে বসে এবং নতুন অর্থ তৈরি করে। সামনে বসে নতুন অর্থ আনে উপসর্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় মোট উপসর্গ একুশটি এবং তৎসম উপসর্গ বিশটি। উপসর্গ সবসময় শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে, এই নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষামূলক প্রশ্নের উত্তর সহজে করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0