প্রশ্নের বর্ণনা

a নয়
b এগার
c তের
d পনের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তের ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষায় রচিত প্রাচীন নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য মোট তেরটি খন্ডে বিভক্ত। - কাব্যটির এই বিভাগগুলো এর কাহিনীর ক্রমবিকাশ ও বিষয়বস্তুকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বড়ু চণ্ডীদাস কর্তৃক রচিত এবং এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন। - এই কাব্যের পুথি ১৯০৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর থেকে আবিষ্কার করেন বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্যায়ত্ন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের জন্মখণ্ড ব্যাখ্যা: এটি কাব্যের প্রথম খণ্ড যেখানে রাধার জন্ম ও সম্পর্কিত প্রারম্ভিক কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রাধাবিরহ খণ্ড ব্যাখ্যা: এটি কাব্যের শেষ খণ্ড যেখানে রাধার বিরহ ও দুঃখের বেদনা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নয় — বাংলা ভাষায় রচিত দ্বিতীয় গ্রন্থ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য নয়টি খন্ডে বিভক্ত নয়, তাই এটি ভুল। B) এগার — কাব্যটি এগারটি খন্ডে বিভক্ত নয়, এর মোট খন্ডসংখ্যা তেরটি। C) তের — এটি সঠিক অপশন কারণ কাব্যটিতে তেরটি খণ্ড রয়েছে। D) পনের — কাব্যটির খন্ডসংখ্যা পনেরটি নয়, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের খন্ড মনে রাখতে তের সংখ্যাটি মনে রাখবে। - কাব্যের প্রথম খণ্ড জন্ম এবং শেষ খণ্ড বিরহ দিয়ে শুরু ও শেষ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কারক বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্যায়ত্ন এবং এটি মধ্যযুগের নিদর্শন। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে খন্ডসংখ্যা এবং রচয়িতার নাম খুব ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0