প্রশ্নের বর্ণনা

a রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
b হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
c মোহিতলাল মজুমদার
d পাঁচ কড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মোহিতলাল মজুমদার ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক মোহিতলাল মজুমদারের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ বা সাহিত্যালোচনার অংশ, যেখানে মৃত্যুর ভেতর দিয়ে জীবনের সত্য উপলব্ধির কথা বলা হয়েছে। - এখানে 'দ্বিজত্ব' শব্দটির মাধ্যমে আধ্যাত্মিক বা মনস্তাত্ত্বিক নবজন্ম এবং 'মিথ্যা হইতে সত্য' বলতে প্রপঞ্চময় জগৎ ছাড়িয়ে পরম সত্যে উপনীত হওয়ার দার্শনিক অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মোহিতলাল মজুমদার ছিলেন বাংলা সাহিত্যের এক জন প্রখ্যাত কবি, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য সমালোচক যিনি মূলত রক্ষণশীল সাহিত্যধারার জন্য পরিচিত ছিলেন। - তাঁর গদ্যে গাম্ভীর্য, সংস্কৃত ভাষার প্রভাব এবং সুদৃঢ় যুক্তিবাদিতা লক্ষ্য করা যায়, যা এই উদ্ধৃতির দার্শনিক ও গম্ভীর সুরের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোহিতলাল মজুমদারের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'স্বপনপসারি'। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর রোমান্টিক ও ধ্রুপদী চেতনার এক অনন্য নিদর্শন, যা তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়কে ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: তাঁর অপর একটি পরিচিত প্রবন্ধগ্রন্থ 'বিচিত্র কথা'। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তাঁর গভীর জীবনদর্শন এবং সাহিত্য বিষয়ক মননশীল চিন্তার পরিচয় পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী — ইনি মূলত বিজ্ঞান ও দর্শনভিত্তিক প্রবন্ধের জন্য বিখ্যাত হলেও এই উদ্ধৃতিটি তাঁর নয়। B) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — ইনি প্রাচীন বাংলা সাহিত্য ও পুথিতত্ত্বের গবেষক হলেও আলোচ্য উদ্ধৃতির রচয়িতা নন। C) মোহিতলাল মজুমদার — এটি সঠিক উত্তর। D) পাঁচ কড়ি বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি বিখ্যাত সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক হলেও এই দার্শনিক উদ্ধৃতির সঙ্গে তাঁর রচনার মিল নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - মৃত্যু, সত্য এবং দ্বিজত্ব লাভের মতো গভীর ও গম্ভীর দার্শনিক চিন্তামূলক গদ্য উদ্ধৃতি দেখলে মোহিতলাল মজুমদারকে মনে রাখতে হবে। - তাঁর গদ্যশৈলীতে এক ধরনের ধ্রুপদী গাম্ভীর্য থাকে যা এই ধরনের উদ্ধৃতি শনাক্ত করতে সাহায্য করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখক ও সাহিত্যিকদের বিখ্যাত দার্শনিক উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন উত্তরের জন্য লেখকদের রচনার গদ্যশৈলী ও ভাববস্তু সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0