প্রশ্নের বর্ণনা

a দুই প্রকার
b তিন প্রকার
c চার প্রকার
d পাঁচ প্রকার
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিন প্রকার ১. কেন সঠিক: প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর নির্ভরশীল খণ্ডবাক্যকে আশ্রিত খণ্ডবাক্য বা অধীন খণ্ডবাক্য বলা হয়। গঠন ও কাজের দিক থেকে আশ্রিত খণ্ডবাক্য তিন ভাগে বিভক্ত। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যের গঠন অনুসারে জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে। আশ্রিত খণ্ডবাক্যগুলো বিশেষ্য, বিশেষণ বা ক্রিয়ার মতো কাজ করে বলে এদের তিনটি শ্রেণি করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যে পরিশ্রম করে, সেই সফলতা লাভ করে। ব্যাখ্যা: এখানে 'যে পরিশ্রম করে' অংশটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য এবং এটি তিনটির মধ্যে একটি বিশেষ শ্রেণিভুক্ত। উদাহরণ ২: যদি বৃষ্টি হয়, তবে আমরা কোথাও যাব না। ব্যাখ্যা: এখানে 'যদি বৃষ্টি হয়' অংশটি শর্ত বোঝাচ্ছে এবং এটি আশ্রিত খণ্ডবাক্যের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই প্রকার — আশ্রিত খণ্ডবাক্যের সংখ্যা দুই নয়, কারণ এর শ্রেণিবিভাগ তিনটি। B) তিন প্রকার — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি আশ্রিত খণ্ডবাক্যের প্রকৃত সংখ্যা নির্দেশ করে। C) চার প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে আশ্রিত খণ্ডবাক্যের সংখ্যা চার প্রকার হিসেবে নির্ধারিত নয়। D) পাঁচ প্রকার — এই সংখ্যাটি আশ্রিত খণ্ডবাক্যের প্রকৃত শ্রেণিবিভাগের সাথে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: আশ্রিত খণ্ডবাক্য মানেই হলো বিশ্বমানের তিন কন্যা, অর্থাৎ বিশেষ্য স্থানীয়, বিশেষণ স্থানীয় ও ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয়। এই তিনটি নাম মনে রাখলেই আশ্রিত খণ্ডবাক্যের প্রকারভেদ সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জটিল বাক্যের অংশ হিসেবে আশ্রিত খণ্ডবাক্য প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। মনে রাখবে, আশ্রিত খণ্ডবাক্য প্রধান বাক্যের ওপর অর্থ প্রকাশের জন্য পুরোপুরি নির্ভর করে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0