প্রশ্নের বর্ণনা

a দু'ভাগে
b তিন ভাগে
c চার ভাগে
d পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিন ভাগে ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে সামগ্রিকভাবে তিনটি যুগে ভাগ করা হয়েছে। যুগগুলো হলো প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগ। - বাংলা ভাষার জন্ম ও বিকাশের গতিপ্রকৃতি এবং ঐতিহাসিক পটভূমির ওপর ভিত্তি করে এই যুগবিভাজন করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ শুরু হয়েছে বাংলা ভাষার সূচনাকাল থেকে, যার একমাত্র ঐতিহাসিক নিদর্শন চর্যাপদ। - মধ্যযুগের ব্যাপ্তি ধরা হয় দ্বাদশ শতাব্দী থেকে অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ পর্যন্ত, যা মূলত পদ্য বা কাব্যনির্ভর ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক ও আদি নিদর্শন। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রারম্ভিক নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দু'ভাগে — বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে কখনো দুটি ভাগে ভাগ করা হয় না, কারণ প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক এই তিনটি স্পষ্ট স্তর রয়েছে। B) তিন ভাগে — এটি সঠিক কারণ বাংলা সাহিত্য তিনটি প্রধান যুগে বিভক্ত। C) চার ভাগে — চার ভাগে ভাগ করার কোনো ঐতিহাসিক বা প্রমিত ভিত্তি বাংলা সাহিত্যে নেই। D) পাঁচ ভাগে — পাঁচ ভাগে ভাগ করা সাহিত্যিক বা কালগত বিভাজনের নিয়মের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলা সাহিত্যের যুগ মনে রাখার সহজ উপায় হলো মানবজীবনের তিনটি পর্যায় অর্থাৎ শৈশব বা সূচনা প্রাচীন যুগ, মধ্যবয়স মধ্য যুগ এবং বর্তমান সময় আধুনিক যুগ। - প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক এই তিনটি শব্দ মনে রাখলেই সঠিক উত্তর পাওয়া সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ শুরু হয়েছে ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে। - এই ধরনের প্রশ্নে প্রায়ই বিভ্রান্ত করার জন্য অপশনে চার বা পাঁচ ভাগ দেওয়া হয়, তাই যুগগুলোর নাম মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0