প্রশ্নের বর্ণনা

a দুটি
b তিনটি
c চারটি
d পাঁচটি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিনটি ১. কেন সঠিক: - ড. মুহম্মদ এনামূল হক বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগকে মোট তিনটি ভাগে ভাগ করেছেন। - বাংলা সাহিত্য ইতিহাসের গবেষক হিসেবে তিনি মধ্যযুগের কালনির্ণয় ও নামকরণে এই ত্রিনাগতিক বিভাজন দেখিয়েছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. মুহম্মদ এনামূল হক মধ্যযুগের সময়সীমা ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত নির্ধারণ করেছেন। - তার মতে মধ্যযুগের এই দীর্ঘ সময়কালকে আদি মধ্যযুগ, মধ্য মধ্যযুগ এবং অন্ত মধ্যযুগ বা শেষ মধ্যযুগ এই তিন ভাগে ভাগ করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর যুগবিভাগ ব্যাখ্যা: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা সাহিত্যকে মোট তিনটি যুগে ভাগ করেছেন যেমন আদি যুগ, মধ্য যুগ এবং আধুনিক যুগ। উদাহরণ ২: আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের যুগবিভাগ ব্যাখ্যা: তিনি বাংলা সাহিত্যকে প্রাচীন যুগ, মধ্য যুগ ও আধুনিক যুগ এই তিন প্রধান ভাগে বিভক্ত করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুটি — ড. মুহম্মদ এনামূল হক মধ্যযুগকে দুটি ভাগে ভাগ করেননি বরং তিনটি ভাগে ভাগ করেছেন। B) তিনটি — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মধ্যযুগকে তিনটি ভাগে ভাগ করেছেন। C) চারটি — চার ভাগে মধ্যযুগ ভাগের প্রবক্তা ড. সুকুমার সেন, তাই এটি ভুল। D) পাঁচটি — ড. মুহম্মদ এনামূল হক মধ্যযুগকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - এনামূল হক নামের শেষে তিন অক্ষর আছে এবং তিনি মধ্যযুগকে তিনটি ভাগে ভাগ করেছেন এভাবে মনে রাখতে পারেন। - ড. সুকুমার সেন মধ্যযুগকে চার ভাগে ভাগ করেছেন আর এনামূল হক করেছেন তিন ভাগে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুগবিভাগ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বিভিন্ন গবেষকের যুগবিভাগ ও সময়কাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0