প্রশ্নের বর্ণনা

a মধ্যযুগের সমাজ ব্যবস্থার বর্ণনা
b লোকসঙ্গীত
c ধর্ম বিষয়ক আখ্যান
d পীর পাঁচালী
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধর্ম বিষয়ক আখ্যান ১. কেন সঠিক: মঙ্গলকাব্যের মূল লক্ষ্য ছিল কোনো না কোনো দেবদেবীর মহিমা প্রচার করা এবং তাদের পূজা প্রচলন করা। এগুলি মূলত ধর্মীয় কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত হলেও এর ভেতরে মধ্যযুগের মানুষের লৌকিক বিশ্বাস ও সমাজচিত্রের বাস্তব রূপ ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মঙ্গলকাব্য হলো মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান ধারা যা দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়। এই কাব্যগুলো প্রধানত দেবকাহিনি ও মর্তের মানুষের জীবনযাত্রার এক অপূর্ব সংমিশ্রণ যেখানে পৌরাণিক দেবতার চেয়ে লৌকিক দেবতারা বেশি প্রাধান্য পেয়েছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মনসামঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এটি দেবী মনসার পূজা প্রচার এবং লৌকিক চরিত্র চম্পকনগর বা বেহুলা লখিন্দরের আখ্যান নিয়ে রচিত একটি প্রধান মঙ্গলকাব্য। উদাহরণ ২: চণ্ডীমঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এটি দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য প্রচার এবং মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর মতো কবিদের হাত ধরে মধ্যযুগের সমাজ ও কৃষিজীবী মানুষের জীবনাচারের বিবরণ তুলে ধরেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধ্যযুগের সমাজ ব্যবস্থার বর্ণনা — সমাজ ব্যবস্থার বর্ণনা মঙ্গলকাব্যে থাকে সত্য কিন্তু এটি মূল বিষয়বস্তু নয় বরং ধর্ম প্রচারের আড়ালে এটি গৌণভাবে এসেছে। B) লোকসঙ্গীত — লোকসঙ্গীত মঙ্গলকাব্যের অন্তর্ভুক্ত নয় কারণ মঙ্গলকাব্য মূলত পদ্যে রচিত দীর্ঘ আখ্যানকাব্য বা সাহিত্যকর্ম। D) পীর পাঁচালী — পীর পাঁচালী মুসলিম লোকসাহিত্য ও সুফি সাধকদের জীবনের ওপর রচিত, যা হিন্দু দেবদেবীর আখ্যানকেন্দ্রিক মঙ্গলকাব্য থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ৫ মনে রাখার টিপস: মঙ্গল কাব্য মানেই দেবদেবীর পূজা প্রচার বা ধর্ম বিষয়ক আখ্যান। মনসা, চণ্ডী বা ধর্ম ঠাকুরের নাম মনে রাখলেই বোঝা যায় এগুলোর মূল বিষয় ধর্ম। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। মঙ্গলকাব্যের আদি কবি বা বিভিন্ন ধারার প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কবিদের নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0