প্রশ্নের বর্ণনা

a বলাকা
b সোনার তরী
c চিত্রা
d পুনশ্চ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বলাকা ১. কেন সঠিক: 'সন্ধ্যারাগে ঝিলিমিলি ঝিলমের স্রোতখানি বাঁকা' পঙ্‌ক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বলাকা' কাব্যের অন্তর্গত 'শাহজাহান' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। ঝিলাম নদীর সৌন্দর্য এবং কালের প্রবাহের পটভূমিতে রচিত এই কবিতায় গতির জয়গান ও ইতিহাসের ক্ষণস্থায়িত্ব প্রকাশ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বলাকা' কাব্যটি বাংলা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত গতির দর্শন ও পরিবর্তনের বাণীতে সমৃদ্ধ। এই কাব্যের কবিতাগুলোতে স্থবিরতার বিরুদ্ধে গতির জয়গান এবং বিশ্বপ্রকৃতির পরিবর্তনের রূপ অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বলাকা কাব্যের অপর বিখ্যাত কবিতা 'বলাকা'। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় বকপাখির ডানার ছটফটানির মাধ্যমে কবির মনে গতির যে চাঞ্চল্য জেগেছিল, তা রূপায়িত হয়েছে। উদাহরণ ২: বলাকা কাব্যের আরেকটি কবিতা 'সাজাহান'। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় মমতাজের প্রতি প্রেমের স্মারক তাজমহলকে কেন্দ্র করে সম্রাট শাহজাহানের অন্তrবেদনা এবং কালের নির্মম জয়যাত্রার চিত্র আঁকা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বলাকা — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ আলোচ্য পঙ্‌ক্তিটি এই কাব্যগ্রন্থের 'শাহজাহান' কবিতার অংশ। B) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতীকী ও দার্শনিক চেতনায় সমৃদ্ধ একটি বিখ্যাত কাব্য যা ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয়। C) চিত্রা — এই কাব্যটি ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে কবির মানবপ্রেম ও প্রকৃতির রূপ বৈচিত্র্য প্রকাশ পেয়েছে। D) পুনশ্চ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি গদ্যকবিতার সংকলন যা ১৯৩২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর রূপবিন্যাস ভিন্ন। ৫ মনে রাখার টিপস: বলাকা মানেই গতির চঞ্চলতা এবং ঝিলাম নদীর বাঁকা স্রোতের মতো চলমান জীবনের জয়গান। শাহজাহান কবিতার বিখ্যাত এই লাইনটি মনে রাখতে ঝিলাম নদীর নামটির সঙ্গে বলাকা কাব্যকে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ ও বিখ্যাত কবিতার পঙ্‌ক্তি প্রায়ই আসে। কাব্যগুলোর প্রকাশকাল এবং প্রধান থিম যেমন বলাকার গতি দর্শন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0