প্রশ্নের বর্ণনা

a সাধারণ অতীত
b নিত্যবৃত্ত অতীত
c ঘটমান বর্তমান
d পুরোঘটিত বর্তমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পুরোঘটিত বর্তমান ১. কেন সঠিক: - ক্রিয়াটি অতীতে সম্পন্ন হলেও তার ফল বা রেশ এখনো বর্তমান রয়েছে, তাই এটি পুরোঘটিত বর্তমান কাল। - বাক্যের 'উত্তীর্ণ হয়েছি' অংশটি নির্দেশ করে যে পাসের ঘটনাটি ঘটেছে অতীতে, কিন্তু তার বর্তমান ফল বা আনন্দ এখনো বিদ্যমান। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে ক্রিয়া কিছু সময় আগে শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল বা ফলাফল এখনো বর্তমান রয়েছে, তাকে পুরোঘটিত বর্তমান বা পূর্ণ বর্তমান কাল বলে। - বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী ক্রিয়ার মূল ধাতুর সঙ্গে এছি, এছ, এতে, এন ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়ে পুরোঘটিত বর্তমান কাল গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি ভাত খেয়েছি। ব্যাখ্যা: ভাত খাওয়ার কাজটি শেষ হলেও তার তৃপ্তি বা ফল বর্তমান আছে, তাই এটি পুরোঘটিত বর্তমান কাল। উদাহরণ ২: সে মাত্র স্টেশনে পৌঁছাইয়াছে। ব্যাখ্যা: পৌঁছানোর কাজটি সম্প্রতি শেষ হয়েছে এবং সে বর্তমানে সেখানেই আছে বুঝাতে পুরোঘটিত বর্তমান কাল ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধারণ অতীত — যে ক্রিয়া সাধারণভাবেই অতীতে সম্পন্ন হয়েছে তার কাল সাধারণ অতীত, কিন্তু এখানে বর্তমানকালের রেশ রয়েছে। B) নিত্যবৃত্ত অতীত — যে ক্রিয়া অতীতে প্রায়শ ঘটত বা অভ্যাসগত ছিল তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত বলে, যা এই বাক্যে প্রকাশ পায়নি। C) ঘটমান বর্তমান — যে কাজ বর্তমানে ঘটছে বা চলিতেছে এমন বোঝায় তাকে ঘটমান বর্তমান বলে, কিন্তু এখানে কাজটি আগেই শেষ হয়ে গেছে। D) পুরোঘটিত বর্তমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ কাজটি অতীতে শেষ হলেও তার ফল বর্তমান রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়ার শেষে ছি, ছ, ছে, ছেন থাকলে এবং কাজটি শেষ হওয়ার পর তার ফল বর্তমান থাকলে চোখ বন্ধ করে পুরোঘটিত বর্তমান কাল দাগাবে। - বর্তমানের সঙ্গে অতীতের সংযোগ থাকলেই তা পুরোঘটিত বর্তমান কাল হিসেবে গণ্য হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাল নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ক্রিয়ার শেষ অংশ এবং তার ফল বর্তমান আছে কি না তা ভালো করে লক্ষ্য করতে হবে। - পরীক্ষার হলে বিভ্রান্ত করার জন্য সাধারণ অতীত ও পুরোঘটিত বর্তমান কাল কাছাকাছি অপশন হিসেবে দেওয়া হয়, তাই সতর্ক থাকতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0