প্রশ্নের বর্ণনা

a বেও
b দুই
c নাচ
d পুস্তক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাচ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর C) নাচ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু প্রশ্ন ও উত্তরের বিশ্লেষণে দেখা যায় নাচ একটি তদ্ভব শব্দ। তাই এই প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তরটি ভুল এবং প্রশ্ন বা উত্তরের মিল নেই। - এখানে প্রশ্নটি হওয়া উচিত ছিল কোনটি তদ্ভব শব্দ নয় বা অপশনগুলোর মধ্যে কোনটি অন্য উৎসের শব্দ, তবে সঠিক উত্তর হিসেবে বেও, দুই, নাচ সবই তদ্ভব শব্দ এবং পুস্তক শব্দটি তৎসম শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ উল্লেখযোগ্য। - প্রাকৃত বা অপভ্রংশ ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে যে শব্দগুলো সরাসরি বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, সেগুলোকে তদ্ভব বা প্রাকৃতজ শব্দ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্রম থেকে চাঁদ ব্যাখ্যা: সংস্কৃ ত শব্দ পরিবর্তিত হয়ে তদ্ভব শব্দে রূপ নিয়েছে। উদাহরণ ২: মৎস থেকে মাছ ব্যাখ্যা: প্রাকৃত ভাষার মধ্য দিয়ে এসে এটি তদ্ভব শব্দে পরিণত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেও — এটি একটি তদ্ভব শব্দ, যা সংস্কৃ ত শব্দ থেকে বিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে। B) দুই — এটি সংখ্যাবাচক তদ্ভব শব্দ, যা প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে বাংলায় এসেছে। C) নাচ — এটি একটি খাঁটি তদ্ভব শব্দ, যা সংস্কৃ ত নৃত্য থেকে প্রাকৃত হয়ে বাংলায় এসেছে। D) পুস্তক — এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃ ত শব্দ, যা অপরিবর্তিতভাবে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয় এবং এটি তদ্ভব শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে সাধারণত সংযুক্ত বর্ণ বা র-ফলা এবং মূর্ধন্য-ণ এর ব্যবহার বেশি থাকে। - তদ্ভব শব্দগুলো প্রাকৃত ভাষার পরিবর্তন পেরিয়ে আজকের রূপ নিয়েছে, তাই এদের গঠন কিছুটা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - তৎসম ও তদ্ভব শব্দ চেনার উপায় হলো শব্দের রূপান্তর প্রক্রিয়া ভালো করে আয়ত্ত করা। - পরীক্ষায় প্রায়ই কোন শব্দটি কোন উৎস থেকে এসেছে তা শনাক্ত করতে দেয়, তাই শব্দের উৎপত্তি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0