প্রশ্নের বর্ণনা

a বামনকান্দার
b ময়মনসিংহের
c ভুবন ডাঙ্গার
d পূর্ববঙ্গের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বামনকান্দার ১. কেন সঠিক: মহুয়া পালা বাংলা লোকসাহিত্যের মৈমনসিংহ গীতিকার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ট্র্যাজেডিধর্মী দীর্ঘ পালাগান। এই পালায় বর্ণিত কথাবস্তু অনুযায়ী নদের চাঁদ ছিলেন বামনকান্দার একজন বনেদি জমিদার-পুত্র যিনি পরবর্তীতে জাজিরা বা বেদেদের সংস্পর্শে আসেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহুয়া পালাটি সংগ্রহ করেছেন ড. দীনেশচন্দ্র সেন এবং এটি মৈমনসিংহ গীতিকার প্রথম খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত একটি শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। পালাটির মূল রচয়িতা দ্বিজ কানাই, যিনি ময়মনসিংহের কিশোরগঞ্জ এলাকার কৃতি সন্তান এবং লোককবি হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়া পালা ব্যাখ্যা: এটি বাংলা লোকসাহিত্যের এমন এক অমর প্রেমের সৃষ্টি যেখানে কুলবধূর সঙ্গে বেদে সর্দারের প্রেমের বিচিত্র রূপ ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: মৈমনসিংহ গীতিকা ব্যাখ্যা: চন্দ্রকুমার দে সংগৃহীত এবং দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত এই সংকলনটিতে মহুয়া ছাড়াও মলুয়া, চন্দ্রাবতী ও দস্যু কেনারামের পালার মতো বিখ্যাত গাথা রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বামনকান্দার - এই অপশনটি সঠিক কারণ মূল পালায় নদের চাঁদের বাড়ি বা জমিদারির অবস্থান এখানেই বলা হয়েছে। B) ময়মনসিংহের - এটি ভুল কারণ ময়মনসিংহ পুরো জেলার নাম, অথচ নির্দিষ্টভাবে নদের চাঁদের এলাকা ছিল বামনকান্দা গ্রাম। C) ভুবন ডাঙ্গার - এটি ভুল কারণ ভুবন ডাঙ্গা বোলপুর বা রাঢ় অঞ্চলের সঙ্গে সম্পৃক্ত যা মহুয়া পালার প্রেক্ষাপটের সঙ্গে মেলে না। D) পূর্ববঙ্গের - এটি ভুল কারণ পূর্ববঙ্গ একটি বৃহৎ ভৌগোলিক অঞ্চল, কিন্তু পালায় নদের চাঁদের নির্দিষ্ট জমিদারির এলাকার নাম উল্লেখ রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: নদের চাঁদের বাড়ি মনে রাখতে মাথায় রাখবে তিনি ছিলেন বামনকান্দার জমিদার এবং তিনি প্রেমে পড়েছিলেন বেদে কন্যা মহুয়ার। মৈমনসিংহ গীতিকার অন্যান্য পালার নায়কদের পরিচয় পড়ার সময় তাদের নির্দিষ্ট এলাকার নামগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৈমনসিংহ গীতিকার সংকলক, সম্পাদক এবং বিভিন্ন চরিত্রের নাম খুব ঘন ঘন আসে। এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য মূল পাঠের চরিত্র ও তাদের স্থানবাচক পরিচয়গুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0