প্রশ্নের বর্ণনা

a বাঁদী
b সভানেত্রী
c জেলেনী
d পেত্নী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জেলেনী ১. কেন সঠিক: - পুংলিঙ্গ শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠনের নিয়মে জেলে শব্দের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে জেলেনী গঠিত হয়েছে। - এখানে জেলে শব্দের অর্থ মৎসজীবী এবং তার স্ত্রীবাচক রূপ বোঝাতে বিশেষ প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে পতি-পত্নী বা নর-নারীর ভেদাভেদ বোঝাতে শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করা হয়। - তৎসম, অর্ধ-তৎসম ও তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নিয়মে প্রত্যয় যেমন আ, ঈ, ইনী, আনী ইত্যাদি যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধোপা থেকে ধোপানী ব্যাখ্যা: পুংলিঙ্গ শব্দ ধোপা এর সঙ্গে নী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ ধোপানী গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: কাঙাল থেকে কাঙালিনী ব্যাখ্যা: পুংলিঙ্গ শব্দ কাঙাল এর সঙ্গে ইনী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ কাঙালিনী গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঁদী — এটি প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ নয়, বরং বান্দা শব্দের ফার্সি ভাষার প্রভাবে পরিবর্তিত রূপ এবং এটি নিত্য স্ত্রীবাচক বা ভিন্ন শব্দের রূপ। B) সভানেত্রী — এটি প্রত্যয়যোগে গঠিত নয়, বরং সভাপতি শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ গঠনে নেত্রী অংশটি আলাদাভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) পেত্নী — এটি পেত্নী শব্দটির নিজস্ব রূপ এবং এটি কোনো সাধারণ প্রত্যয়যোগে পুংলিঙ্গ থেকে গঠিত হয়নি, বরং ভূত শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - জেলে শব্দের সঙ্গে নী বা ঈ প্রত্যয় যুক্ত করে খুব সহজেই জেলেনী স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করা যায়। - ব্যাকরণের এই নিয়মগুলো মনে রাখার জন্য নিয়মিত শব্দের রূপান্তর চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দের উদাহরণ প্রায়ই আসে। - শব্দের শেষে নী বা ইনী যুক্ত শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0