প্রশ্নের বর্ণনা

a কর্তৃবাচ্যের
b কর্মবাচ্যের
c ভাববাচ্যের
d প্রত্যক্ষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাববাচ্যের ১. কেন সঠিক: - যে বাচ্যে কর্তার বা কর্মের অর্থ প্রধান না হয়ে ক্রিয়ার অর্থ বা ভাব প্রধান হয় এবং ক্রিয়াপদ সাধারণত অন্য পুরুষ বা প্রথম পুরুষের হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে। - 'কোথায় থাকা হয়' বাক্যে কোনো নির্দিষ্ট কর্তাকে সরাসরি নির্দেশ করা হয়নি, বরং এখানে থাকা ক্রিয়াটির ভাব বা কাজটিই প্রধান হয়ে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাচ্য প্রধানত চার প্রকার যথা কর্তৃবাচ্য, কর্মবাচ্য, ভাববাচ্য ও কর্মকর্তৃবাচ্য। - ভাববাচ্যে সাধারণত কর্ম থাকে না এবং ক্রিয়াপদটি অকর্মক হয়, এছাড়া বাক্যের কর্তাটি গৌণ বা উহ্য থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমায় যেতে হবে ব্যাখ্যা: এই বাক্যে যাওয়ার কাজটি আমার ওপর অর্পিত কিন্তু ভাব বা ক্রিয়াপদটি প্রধান হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে। উদাহরণ ২: রাতে কোথায় ঘুমানো হবে ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ঘুমানোর ভাব বা কাজের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট কর্তার প্রাধান্য নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তৃবাচ্যের — যে বাচ্যে কর্তার সরাসরি প্রাধান্য থাকে এবং ক্রিয়াপদ কর্তার পুরুষ অনুযায়ী বসে, তা কর্তৃবাচ্য। এই বাক্যে কর্তা প্রধান নয়। B) কর্মবাচ্যের — যে বাচ্যে কর্মপদ প্রধান হয় এবং কর্মে প্রথমা বা দ্বিতীয়া বিভক্তি যুক্ত হয়, তাকে কর্মবাচ্য বলে। এই বাক্যে কোনো কর্মপদ নেই। D) প্রত্যক্ষ — বাচ্যের শ্রেণিবিভাগে প্রত্যক্ষ বলে কোনো প্রকার নেই, উক্তির ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ উক্তি ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে যদি কর্তা উহ্য থাকে এবং ক্রিয়ার ভাব বা কাজটি প্রধান হয়, তবে চোখ বন্ধ করে ভাববাচ্য দাগাবে। - ভাববাচ্যের বাক্যে সাধারণত অকর্মক ক্রিয়া ব্যবহৃত হয় এবং ক্রিয়ার রূপ দেখে ভাব বোঝা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাচ্য পরিবর্তনের নিয়ম ও চেনার উপায় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ভাববাচ্য চেনার সহজ উপায় হলো এতে সাধারণত কর্তার সঙ্গে দ্বারা, দিয়া, কর্তিক বিভক্তি যুক্ত থাকে না এবং ক্রিয়াটি ভাব প্রকাশ করে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0