প্রশ্নের বর্ণনা

a সন্ধি
b সমাস
c পদ
d প্রত্যয়
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সন্ধি ১. কেন সঠিক: - দুই বর্ণের বা ধ্বনির পরস্পর মিলনের মাধ্যমে উচ্চারণ সহজ করা এবং মাধুর্য সৃষ্টি করার প্রক্রিয়াকে ব্যাকরণে সন্ধি বলা হয়। - এখানে প্রথম শব্দের শেষ ধ্বনি এবং দ্বিতীয় শব্দের আদি ধ্বনি মিলে একটি নতুন ধ্বনি বা রূপ তৈরি করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সন্ধির মূল উদ্দেশ্য হলো উচ্চারণের দ্রুততা এবং স্বাচ্ছন্দ্য বিধান করা। - সন্ধি প্রধানত দুই প্রকার, যেমন স্বরসন্ধি এবং ব্যঞ্জনসন্ধি, যা শব্দ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয় ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম শব্দের শেষ স্বরধ্বনি আ এবং দ্বিতীয় শব্দের আদি স্বরধ্বনি আ মিলে দীর্ঘ আ কার তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: সৎ + চ্যুত = সচ্চ্যুত ব্যাখ্যা: এখানে ত এর সঙ্গে চ যুক্ত হয়ে ব্যঞ্জনধ্বনির মিলন ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সন্ধি — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রশ্নটি বর্ণের মিলনের কথা বলছে। B) সমাস — সমাস হলো একাধিক পদের একপদীকরণ, বর্ণের মিলন নয়। C) পদ — বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতুকে পদ বলা হয়, এটি বর্ণের মিলন নয়। D) প্রত্যয় — প্রকৃতির সঙ্গে নতুন শব্দ বা অংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া হলো প্রত্যয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বর্ণে বর্ণে মিলে হয় সন্ধি এবং পদে পদে মিলে হয় সমাস। - এই সহজ পার্থক্যটি মনে রাখলে পরীক্ষাকলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সন্ধি ও সমাসের সংজ্ঞা থেকে প্রশ্ন আসে। - ধ্বনির মিলন বললে সবসময় সন্ধি দাগাতে হবে এবং পদের মিলন বললে সমাস নির্বাচন করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0