প্রশ্নের বর্ণনা

a দৌহিত্র
b স্ত্রী
c বাঁশী
d প্রবীণ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দৌহিত্র ১. কেন সঠিক: - গঠনগত দিক থেকে শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়, যথা: রূঢ় বা রূঢ়ি, যোগরূঢ় এবং যৌগিক শব্দ। - যে সব শব্দের বুৎপত্তিগত বা ব্যুৎপত্তিগত অর্থ এবং ব্যবহারিক বা প্রমিত অর্থ একই হয়, সেগুলোকে যৌগিক বা সাধিত শব্দ বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - প্রকৃতি ও প্রত্যয় যোগে গঠিত যে শব্দের অর্থ তার মূল প্রত্যয় বা প্রকৃতির অর্থের অনুগামী হয়, তাকে যৌগিক শব্দ বলা হয়। - 'দৌহিত্র' শব্দের ব্যাসববাক্য বা প্রকৃতি প্রত্যয় হলো দুহিতা + স্ন (ষ্ণ্য)। এর অর্থ হলো কন্যার পুত্র বা নাতি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গায়ক ব্যাখ্যা: গৈ + অক সমান গায়ক। এর অর্থ গান করে যে, যা এর বুৎপত্তিগত অর্থের সঙ্গে মিলে যায়। উদাহরণ ২: পঠিত ব্যাখ্যা: পঠ + ত সমান পঠিত। এর অর্থ যা পাঠ করা হয়েছে, যা এর মূল অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৌহিত্র — এটি একটি সঠিক যৌগিক শব্দ কারণ এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ এবং প্রমিত অর্থ একই। B) স্ত্রী — এটি একটি মৌলিক শব্দ, যা কোনো প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হয়নি। C) বাঁশী — এটি একটি তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ হলেও এটি মূলত রূঢ় শব্দ হিসেবে ব্যাকরণে গণ্য হয়। D) প্রবীণ — এটি একটি যোগরূঢ় শব্দ, যার প্রাকৃত অর্থ প্রবৃদ্ধ বীণা যার হলেও বর্তমানে বিশেষ অর্থে বৃদ্ধ বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যৌগিক শব্দের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে, প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের মিলিত অর্থ এবং প্রচলিত অর্থ একই হবে। - গায়ক, পঠিত, বাবুয়ানা, মর্ত্য—এসব শব্দ দেখলেই যৌগিক শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের গঠনগত শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - যৌগিক, রূঢ় এবং যোগরূঢ় শব্দের সংজ্ঞা ও উদাহরণ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0