প্রশ্নের বর্ণনা

a কমা
b ড্যাশ
c সেমিকোলন
d প্রশ্নচিহ্ন
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রশ্নচিহ্ন ১. কেন সঠিক: - বাক্যের সমাপ্তি বা প্রান্ত বোঝাতে যে বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন বলা হয়। - প্রশ্নচিহ্ন বা জিজ্ঞাসা চিহ্ন বাক্যের শেষে বসে এবং কোনো কিছু জিজ্ঞাসা করা বা জানার ভাব প্রকাশ করে বাক্যটি শেষ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিরাম চিহ্ন বা যতিচিহ্ন হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য লেখার সময় ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রতীক। - বাংলায় বিরাম চিহ্ন প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত, যেমন প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন এবং অপ্ৰান্তিক বিরাম চিহ্ন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনি কেমন আছেন? ব্যাখ্যা: এই বাক্যের শেষে প্রশ্নচিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে কারণ এটি একটি সরাসরি প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা। উদাহরণ ২: তোমার নাম কী? ব্যাখ্যা: এই বাক্যটিতে কোনো তথ্য জানার জন্য প্রশ্ন করা হয়েছে এবং এর সমাপ্তি ঘটেছে প্রশ্নচিহ্ন দিয়ে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কমা — কমা সবচেয়ে কম বিরতির জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি অপ্ৰান্তিক বিরাম চিহ্নের অন্তর্ভুক্ত, প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন নয়। B) ড্যাশ — ড্যাশ বাক্যের মধ্যে ভাবের বিশেষ স্পষ্টতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা কোনো প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন নয়। C) সেমিকোলন — সেমিকোলন কমার চেয়ে বেশি কিন্তু পূর্ণচ্ছেদের চেয়ে কম বিরতি নির্দেশ করে এবং এটি একটি অপ্ৰান্তিক বিরাম চিহ্ন। D) প্রশ্নচিহ্ন — এটি একটি প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন যা বাক্যের শেষে বসে এবং সঠিক উত্তরের সঙ্গে মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রান্তিক মানে শেষ বা সীমা। যেসব চিহ্ন বাক্যের একদম শেষে বসে বাক্য শেষ করে, সেগুলোকে প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন বলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা ব্যাকরণে প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন মোট তিনটি, যেমন দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ, প্রশ্নচিহ্ন এবং বিস্ময়সূচক চিহ্ন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিরাম চিহ্নের বিরতিকালের পরিমাণ এবং কোনটি কোন শ্রেণির চিহ্ন তা জানতে চাওয়া হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0