প্রশ্নের বর্ণনা

a দীর্ঘবিরতি
b বিরতি
c অল্পবিরতি
d প্রসঙ্গ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দীর্ঘবিরতি ১. কেন সঠিক: 'শরতের পর আসে বসন্ত' বাক্যে 'পর' শব্দটি অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে ঋতু পরিবর্তনের দীর্ঘ সময়ের ব্যবধান বা দীর্ঘবিরতি প্রকাশ করেছে। শরৎ ঋতু শেষ হওয়ার পর হেমন্ত ও শীত ঋতুর একটি দীর্ঘ পরিক్రমা পার হয়ে তবে বসন্ত আসে, যা এখানে দীর্ঘবিরতির ইঙ্গিত দেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: অনুসর্গ হলো সেই সব শব্দ যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বা সম্বন্ধ পদ বোঝাতে সাহায্য করে এবং বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করে। 'পর' অনুসর্গটি সাধারণত সময় বা স্থানের ব্যবধান বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং প্রেক্ষাপটভেদে বিরতি বা দীর্ঘবিরতির প্রকাশ ঘটাতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘের পর বৃষ্টি নামে। ব্যাখ্যা: এখানে 'পর' অনুসর্গটি মেঘ জমার পর বৃষ্টির আগমন বোঝাতে স্বাভাবিক সময়ের ব্যবধান নির্দেশ করেছে। উদাহরণ ২: যুগের পর যুগ কেটে গেল। ব্যাখ্যা: এখানে 'পর' অনুসর্গটি দীর্ঘ সময় বা যুগের ব্যবধান বোঝাতে দীর্ঘবিরতির অর্থ প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দীর্ঘবিরতি — সঠিক উত্তর কারণ শরৎ ও বসন্তের মাঝে অন্য ঋতুর দীর্ঘ ব্যবধান থাকে। B) বিরতি — এটি সঠিক নয় কারণ সাধারণ বিরতির চেয়ে এখানে ঋতু চক্রের একটি বড় ও দীর্ঘ ব্যবধান বা দীর্ঘবিরতি বোঝানো হয়েছে। C) অল্পবিরতি — এটি ভুল কারণ শরৎ ও বসন্তের মাঝে বেশ কিছু মাসের ব্যবধান থাকে, যা অল্পবিরতি নয়। D) প্রসঙ্গ — এটি ভুল কারণ প্রসঙ্গ কোনো সময়ের ব্যবধান বা অনুসর্গের এই বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: ঋতু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে দূরের দুটি ঋতুর মাঝের ব্যবধান বোঝাতে 'পর' অনুসর্গ দীর্ঘবিরতি প্রকাশ করে। এ ধরনের বাক্যে সময়ের দীর্ঘ পরিসর মাথায় রেখে উত্তর নির্বাচন করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুসর্গের অর্থের ওপর ভিত্তি করে প্রায়ই এমন প্রশ্ন আসে। বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝে অনুসর্গের ভাবার্থ নির্ণয় করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0