প্রশ্নের বর্ণনা

a গৌড়ীয় অপভ্রংশ
b গৌড় অপভ্রংশ
c মাগধী অপভ্রংশ
d প্রাচীন অবহট্ঠ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গৌড় অপভ্রংশ ১. কেন সঠিক: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ঐতিহাসিক ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণা অনুযায়ী বাংলা ভাষা গৌড় অপভ্রংশ প্রাকৃত রূপ থেকে বিকশিত হয়েছে। তিনি ভারতীয়্য আর্য ভাষার ক্রমবিকাশ ধারা বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন যে প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষা হয়ে বাংলা ভাষার সৃষ্টি হয়েছে গৌড় অঞ্চলের প্রাকৃত ও অপভ্রংশ স্তর থেকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি কাল আনুমানিক সপ্তম শতাব্দী এবং এর উৎস গৌড় অপভ্রংশ। অন্যদিকে ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় মনে করেন বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে মাগধী অপভ্রংশ থেকে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তুলনামূলক হিসেবে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের ভাষা ব্যাখ্যা: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের ভাষাও বঙ্গকামরূপী বা প্রাচীন বাংলা যা গৌড় অপভ্রংশ থেকে উদ্ভূত। উদাহরণ ২: ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মত ব্যাখ্যা: তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তির ক্ষেত্রে মাগধী অপভ্রংশকে প্রধান উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছেন যা শহীদুল্লাহ সাহেবের মতের বিপরীত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গৌড়ীয় অপভ্রংশ — এটি ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নির্ধারিত সঠিক ঐতিহাসিক ভাষাভিত্তিক স্তর বা পরিভাষা নয়। B) গৌড় অপভ্রংশ — এটি ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার সঠিক উৎপত্তিস্থল বা উৎস। C) মাগধী অপভ্রংশ — এটি ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার উদ্ভবস্থল যা এই প্রশ্নে শহীদুল্লাহর মতের সঙ্গে মেলে না। D) প্রাচীন অবহট্ঠ — এটি অপভ্রংশ পরবর্তী এবং প্রাক-বাংলা যুগের একটি ভাষা স্তর যা সরাসরি উৎপত্তির উৎস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: শহীদুল্লাহর 'শ' দিয়ে শুরু নাম মনে রাখতে পারো যে তিনি গৌড় অপভ্রংশ অর্থাৎ 'গৌড়' শব্দটিকে প্রাধান্য দিয়েছেন। সুনীতিকুমারের ক্ষেত্রে মাগধী অপভ্রংশ মনে রাখার জন্য নামের প্রথম অক্ষর ও মতবাদ আলাদা করে ছক বানাতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের দুটি ভিন্ন মত রয়েছে। পরীক্ষায় প্রশ্নকর্তা কার মত জানতে চাচ্ছেন তা খেয়াল করে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0