প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রায় পাঁচশত
b প্রায় ছয়শত
c প্রায় সাতশত
d প্রায় আটশত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রায় সাতশত ১. কেন সঠিক: - পদকর্তা গোবিন্দদাস মূলত বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও শেষ যুগের কবি হিসেবে সমাদৃত। - বাংলা সাহিত্য গবেষক ও পন্ডিতগণের মতে তিনি তাঁর সঙ্গীতময় পদগুলোতে রাধা কৃষ্ণের প্রেমলীলা ফুটিয়ে তুলেছেন যার সংখ্যা প্রায় সাতশত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গোবিন্দদাস ছিলেন ষোড়শ থেকে সপ্তদশ শতকের একজন বিশিষ্ট সংস্কৃত ও বাংলা ভাষার কবি এবং বৈষ্ণব পদকর্তা। - তাঁর উপাধি ছিল কর্নপুর এবং তিনি তৎকালীন ঝাড়খন্ডের কুণ্ডুগ্রামের রাজবংশের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রূপ লাগি আঁখি ঝুরে গুনে মন বিভোর। ব্যাখ্যা: এটি গোবিন্দদাসের বিখ্যাত একটি পদ যার মাধ্যমে ভক্ত ও ভগবানের চিরন্তন আকুলতা প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: সুপুরুখ গোবিন্দদাস পদ রচলা। ব্যাখ্যা: প্রাচীন ও মধ্যযুগের পদকর্তারা নিজেদের ভনিতা বা নাম পদের শেষে যুক্ত করতেন যা এই উদাহরণের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রায় পাঁচশত — এই সংখ্যাটি গোবিন্দদাসের মোট রচিলত পদের পরিমাণের চেয়ে কম এবং তা ঐতিহাসিক তথ্যের সাথে মেলে না। B) প্রায় ছয়শত — গবেষকদের মতে তাঁর পদসংখ্যা এর চেয়ে কিছুটা বেশি হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক নয়। C) প্রায় সাতশত — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিশেষজ্ঞদের বেশিরভাগই তাঁর পদের প্রামাণিক সংখ্যা প্রায় সাতশত বলে নির্ধারণ করেছেন। D) প্রায় আটশত — এই সংখ্যাটি অতিরিক্ত এবং প্রামাণিক বৈষ্ণব পদাবলীর তালিকা অনুযায়ী এটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কবি গোবিন্দদাসের নামের শেষ অক্ষর দাসের সাথে সাতশত সংখ্যাটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। - মধ্যযুগের পদকর্তাদের মধ্যে পদ সংখ্যার বিচারে বড় কবিদের তালিকায় তাঁর নাম উল্লেখযোগ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বৈষ্ণব পদাবলীর শেষ বা অন্তিম যুগের প্রধান কবি কে, এই প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - পদাবলীর কবিদের ভনিতা এবং তাদের রচিত পদের আনুমানিক সংখ্যা সম্পর্কে ধারণা রাখা বিসিএস পরীক্ষার জন্য জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0