প্রশ্নের বর্ণনা

a নিতাই বৈরাগী
b রামনিধি গুপ্ত
c এন্টনি ফিরিঙ্গি
d ফকীর গরীবুল্লাহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রামনিধি গুপ্ত ১. কেন সঠিক: টপ্পা গান মূলত হিন্দুস্থানি ধ্রুপদ ও খেয়ালের মিশ্রণে সৃষ্ট এক বিশেষ ধরনের প্রেমসংগীত। বাংলায় এই টপ্পা গানের প্রচলন ও বিকাশ ঘটিয়েছেন নিধুবাবু নামে পরিচিত রামনিধি গুপ্ত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রামনিধি গুপ্ত বা নিধুবাবু বাংলা টপ্পা গানের প্রধান ও আদি স্রষ্টা হিসেবে সমাদৃত। তিনি বাংলা ভাষায় প্রথম প্রেম ও বিরহের ভাবসমৃদ্ধ সার্থক টপ্পা গান রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিধুবাবুর লেখা বিখ্যাত টপ্পা গান হলো নানা রঙের ফুল ছড়ানো রয়েছে। ব্যাখ্যা: এটি তার রচিত বাংলা টপ্পা গানের একটি উৎকৃষ্ট ও জনপ্রিয় নিদর্শন। উদাহরণ ২: নিধুবাবুর অপর একটি বিখ্যাত টপ্পা গান হলো যারে ভালোবাসলাম সে তো আমার হলো না। ব্যাখ্যা: এই গানটিতে বিরহ ও প্রেমের গভীর প্রকাশ ঘটেছে যা টপ্পা গানের মূল বৈশিষ্ট্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিতাই বৈরাগী — ইনি বাংলা টপ্পা গানের জনক নন, বরং ইনি লোকসংগীত বা অন্য ধারার সঙ্গে যুক্ত একজন সাধক ও গায়ক ছিলেন। B) রামনিধি গুপ্ত — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি বাংলা টপ্পা গানের জনক হিসেবে সর্বস্বীকৃত। C) এন্টনি ফিরিঙ্গি — ইনি বাংলা কবির লড়াই ও আগমনি গীতি রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত, টপ্পা গানের জনক নন। D) ফকীর গরীবুল্লাহ — ইনি মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট পুথি সাহিত্যিক ও কবি, যিনি আমীর হামজা ও সোনাবান কাব্য রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: রামনিধি গুপ্তকে সংক্ষেপে নিধুবাবু বলা হয় এবং নিধুবাবু মানেই টপ্পা গান। এভাবে মনে রাখতে পারো যে নিধুবাবুর টপ্পা গান খুব বিখ্যাত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলার সংগীতের ধারা এবং তার জনকদের নাম প্রায়ই আসে। যেমন, বাংলা গীতিনাট্যের জনক জ্যোতিতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং আধুনিক বাংলা গানের ধারা সম্পর্কেও জেনে রাখা ভালো।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0