প্রশ্নের বর্ণনা

a সুকান্ত ভট্টাচার্য
b নজরুল ইসলাম
c ইসমাইল হোসেন সিরাজী
d ফররুখ আহমেদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - দুর্গম গিরি কান্তার মরু দুস্তর পারাপার গানটি বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা অন্যতম বিখ্যাত একটি বিদ্রোহী ও সংগ্রামী গান। - এই গানটির প্রথম চরণটিই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে এবং এটি তার চল্লািকা কাব্যের অন্তর্গত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি ও সংগীতকার। - এই গানটি মূলত সাম্যবাদী ও তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য রচিত হয়েছিল এবং এটি বাংলা মার্চসংগীত বা সমবেত সংগীত ধারার এক অনন্য সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কারার ঐ লোহকপাট ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি অত্যন্ত বিখ্যাত বিদ্রোহী ও বিপ্লবী গান। উদাহরণ ২: চল চল চল ঊর্ধ্বগগনে বাজে মাদল ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের রণসংগীত এবং কাজী নজরুল ইসলামের অপর একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুকান্ত ভট্টাচার্য — তিনি বাংলা সাহিত্যের মার্কসবাদী ও কিশোর কবি হলেও এই গানটির রচয়িতা নন। B) নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক এবং গানটির রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম। C) ইসমাইল হোসেন সিরাজী — তিনি একজন ঔপন্যাসিক ও সমাজসংস্কারক ছিলেন, এই বিখ্যাত গানের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নেই। D) ফররুখ আহমেদ — তিনি ইসলামী ঐতিহ্যের ধারা বহনকারী বিখ্যাত কবি হলেও এই গানটি তার লেখা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দুর্গম পথ ও মরুভূমি পার হওয়ার সংগ্রামী চেতনা এবং বিদ্রোহের কথা থাকলে নির্দ্বিধায় কাজী নজরুল ইসলামকে চিহ্নিত করবে। - বিদ্রোহী কবির লেখা গানগুলো সাধারণত তরুণদের জাগানোর জন্য রচিত হয়, তাই চল্লািকা বা এই জাতীয় গানগুলোর মূল সুর নজরুলের সমসাময়িক রচনার সঙ্গে মিলে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জাতীয় কবির বিখ্যাত গান, কবিতা ও কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে। - নজরুলের চল্লািকা কাব্যগ্রন্থ এবং তার বিখ্যাত গানগুলোর প্রথম চরণ ভালোভাবে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0