প্রশ্নের বর্ণনা

a সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
b মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
c প্যারীচাঁদ মিত্র
d বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কেন সঠিক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৬৫ সালে 'দুর্গেশনন্দিনী' উপন্যাস রচনার মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসের ক্ষেত্রে আধুনিক ও পাশ্চাত্য ধারার সফল সূচনা করেন। তার উপন্যাসে ইউরোপীয় উপন্যাসের মতো প্লট, চরিত্র ও বাস্তবধর্মী জীবনবোধের শিল্পসম্মত রূপায়ণ ঘটেছে যা পূর্বে অনুপস্থিত ছিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে গণ্য করা হয় কারণ তিনি উপন্যাসের রূপ ও শিল্পরীতিতে মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। পাশ্চাত্য আদর্শ বলতে এখানে ইউরোপীয় উপন্যাসের গঠনশৈলী, চরিত্র চিত্রায়ন এবং কাহিনীর বিন্যাসকে বোঝানো হয়েছে যা বাংলা সাহিত্যে তিনি প্রথম সার্থকভাবে প্রয়োগ করেন। তার রচিত 'দুর্গেশনন্দিনী', 'কপালকুণ্ডলা' এবং 'বিষবৃক্ষ' উপন্যাসে এই পাশ্চাত্য আদর্শের চমৎকার প্রতিফলন দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — ইনি বাংলা উপন্যাসের আধুনিক যুগের একজন খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক হলেও প্রথম সার্থক উপন্যাস রচয়িতা নন। B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি মনস্তাত্ত্বিক ও বাস্তবধর্মী উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত হলেও বঙ্কিমচন্দ্রের অনেক পরের কালের ঔপন্যাসিক। C) প্যারীচাঁদ মিত্র — ইনি 'আলালের ঘরের দুলাল' লিখে প্রথম উপন্যাসের সূচনা করলেও তা পাশ্চাত্য আদর্শে সার্থক উপন্যাস হিসেবে গণ্য হয় না। D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং তিনিই বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক। মনে রাখার টিপস: বঙ্কিমচন্দ্র মানেই প্রথম সার্থক উপন্যাস এবং তার প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী। পাশ্চাত্য আদর্শের কথা থাকলেই উত্তর হবে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0