প্রশ্নের বর্ণনা

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
b সুনীতিকুমারের
c মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর
d বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১. কেন সঠিক: - উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত সাহিত্য সমালোচনা মূলক প্রবন্ধ বা নিবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে। - তিনি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের কাব্যধারার বাস্তবধর্মী ও সাধারণ জীবনঘনিষ্ঠ রূপ ফুটিয়ে তুলতে এই ব্যঙ্গাত্মক ও অলংকারপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত। - তিনি বাংলা সমালোচন সাহিত্যেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এবং ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে আধুনিক বাংলা কবিতার প্রথম যুগের পথপ্রদর্শক হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের যুগলঙ্গীয় উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর একটি বিখ্যাত সামাজিক রোমান্সধর্মী উপন্যাস। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কমলাকান্তের দপ্তর। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজসচেতন রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাধর লেখক হলেও এই নির্দিষ্ট উদ্ধৃতিটি তাঁর নয়। B) সুনীতিকুমারের — সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক, কিন্তু এই সাহিত্যিক উদ্ধৃতির রচয়িতা তিনি নন। C) মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর — ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও ইসলামি পন্ডিত ছিলেন, সাহিত্য সমালোচনার এই বিশেষ ভঙ্গি তাঁর নয়। D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বঙ্কিমচন্দ্রের সাহিত্য রচনার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে নিয়ে লেখা বঙ্কিমচন্দ্রের মূল্যায়ন বেশ বিখ্যাত। - লেখক বঙ্কিমচন্দ্র এবং আলোচ্য বিষয় ঈশ্বরগুপ্ত, এই নাম দুটি একসাথে মনে রাখলে উত্তর সহজে বের করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত লেখকদের সাহিত্যিক উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে। - মূল রচনার পাশাপাশি লেখকদের সমালোচনামূলক প্রবন্ধগুলোর নাম ভালোভাবে পড়তে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0