প্রশ্নের বর্ণনা

a কাদম্বরী দেবী
b কবির মেয়ের
c রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদীর
d বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদীর ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটির সঠিক উত্তর হলো রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদীর মৃত্যুশয্যায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ব্রিটিশ সরকারের দেওয়া নাইট বা স্যার উপাধি বর্জন করেছিলেন এবং এ সম্পর্কিত প্রবাদলিপি বা প্রতিবাদলিপিটি রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদীর অন্তিম মুহূর্তে পাঠ করা হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদী ছিলেন বাংলার এক বহুমুখী প্রতিভাধর পন্ডিত, বিজ্ঞানী ও প্রাবন্ধিক। ১৯১৯ সালের ৬ জুন রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদীর জীবনাবসান ঘটে এবং সে সময়েই রবীন্দ্রনাথ তার ঐতিহাসিক প্রতিবাদলিপিটি পাঠ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সভাপতির অভিভাষণ' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথের অন্যতম একটি ঐতিহাসিক গদ্য রচনা যা বিভিন্ন সাহিত্যিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ ২: রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদীর 'প্রকৃতি' ব্যাখ্যা: এটি তার বিখ্যাত বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ গ্রন্থ যা বাংলা সাহিত্যে বিজ্ঞান চর্চায় বিশেষ অবদান রেখেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাদম্বরী দেবী — কাদম্বরী দেবী ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বৌঠান এবং ১৮৮৪ সালে তার মৃত্যু হয় যা নাইট উপাধি ত্যাগের ঘটনার অনেক আগের ঘটনা। B) কবির মেয়ের — রবীন্দ্রনাথের দুই কন্যা মাধুরী লতা ও রেণুকা দেবী এবং তাদের মৃত্যু যথাক্রমে ১৯১৮ ও ১৯০৩ সালে হয়েছিল যা এই ঘটনার সঙ্গে মেলে না। D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৯৪ সালে মারা যান এবং নাইট উপাধি ত্যাগের ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯১৯ সালে। ৫ মনে রাখার টিপস: স্যার উপাধি ত্যাগের প্রতিবাদলিপি পাঠের সঙ্গে বাংলার বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও প্রাবন্ধিক রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদীর মৃত্যুর ঘটনাটি মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ১৯১৯ সালে ব্রিটিশ সরকারের দেওয়া স্যার বা নাইট উপাধি বর্জন করেছিলেন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0