প্রশ্নের বর্ণনা

a আণবিক তেজস্ক্রিয়তা
b অন্য কোন উপগ্রহ দ্বারা আক্রান্ত হবার ফলে প্রকৃতির নিধন
c কোনো ধূমকেতু পৃথিবীর নিজস্ব কক্ষপথে প্রবেশ করে আকর্ষণ
d বরয়যুগ বা দীর্ঘকাল হিমায়িতকরণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বরয়যুগ বা দীর্ঘকাল হিমায়িতকরণ ১. কেন সঠিক: - ডাইনোসরদের বিলুপ্তির অন্যতম প্রধান এবং বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত একটি প্রধান মতবাদ হলো পৃথিবীতে চরম শীতকাল বা বরফ যুগ নেমে আসা। - ধূমকেতু বা উল্কাপিণ্ডের পতনের ফলে দীর্ঘকাল ধরে সূর্যরশ্মি পৃথিবীতে পৌঁছাতে না পারায় এই বরফ যুগের সৃষ্টি হয়েছিল বলে বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি কোনো ব্যাকরণ বা সাহিত্য বিষয়ক প্রশ্ন নয়, বরং এটি একটি সাধারণ জ্ঞান ও বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বাংলা বা সাধারণ জ্ঞান অংশে প্রায়ই আসে। - প্রশ্নটিতে প্রাগৈতিহাসিক জীব ডাইনোসর বিলুপ্তির বৈজ্ঞানিক কারণ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইস এজ বা বরফ যুগের কবলে পড়ে পৃথিবীর অনেক প্রাচীন জীব চিরতরে হারিয়ে গেছে। ব্যাখ্যা: জলবায়ুর চরম পরিবর্তনের কারণে জীববৈচিত্র্যের ধ্বংসের এটি একটি ঐতিহাসিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: প্রায় সাড়ে ছয় কোটি বছর আগে ক্রিটেশিয়াস যুগে ডাইনোসরদের বিলুপ্তি ঘটেছিল। ব্যাখ্যা: এটি পৃথিবীর ইতিহাসে একটি বড় ধরনের প্রজাতি ধ্বংসের কাল বা মহা বিলুপ্তির সময়কাল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আণবিক তেজস্ক্রিয়তা — প্রাগৈতিহাসিক যুগে কোনো মানবসৃষ্ট আণবিক তেজস্ক্রিয়তা থাকার কোনো ঐতিহাসিক বা বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। B) অন্য কোন উপগ্রহ দ্বারা আক্রান্ত হবার ফলে প্রকৃতির নিধন — পৃথিবীর সাথে অন্য কোনো উপগ্রহের আঘাত হানার বৈজ্ঞানিক কোনো জোরালো প্রমাণ বা মতবাদ নেই। C) কোনো ধূমকেতু পৃথিবীর নিজস্ব কক্ষপথে প্রবেশ করে আকর্ষণ — ধূমকেতু পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করে আকর্ষণ করার ফলে ডাইনোসর নিধন হয়নি, বরং উল্কাপিন্ডের পতনের কথা বলা হয়। D) বরয়যুগ বা দীর্ঘকাল হিমায়িতকরণ — এটি ডাইনোসর বিলুপ্তির প্রধান একটি বৈজ্ঞানিক মতবাদ এবং প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডাইনোসর বিলুপ্তির কারণ মনে রাখতে মাথায় রাখবে যে, অতিরিক্ত ঠান্ডা বা বরফ যুগের কারণে তারা খাদ্যাভাবে মারা গিয়েছিল। - বৈজ্ঞানিক গবেষণায় তীব্র শীত ও অন্ধকারকে ডাইনোসর ধ্বংসের মূল কারণ বলা হয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিজ্ঞানভিত্তিক সাধারণ জ্ঞান থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে। - প্রাগৈতিহাসিক জীব এবং পৃথিবীর ইতিহাস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0