প্রশ্নের বর্ণনা

a বংশীদাস চক্রবর্তী
b রূপরাম চক্রবর্তী
c মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
d বলরাম চক্রবর্তী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রূপরাম চক্রবর্তী ১. কেন সঠিক: - ধর্মমঙ্গল কাব্য বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের একটি অন্যতম ধারা এবং রূপরাম চক্রবর্তী এই ধারার একজন বিখ্যাত ও প্রখ্যাত কবি। - এই কাব্যে মূলত ধর্মঠাকুরের মাহাত্ম্য ও লাউসেনের ঐতিহাসিক বা পৌরাণিক বীরত্বগাথা কাহিনীর বিবরণ সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মঙ্গলকাব্যের একটি বিশিষ্ট শাখা হলো ধর্মমঙ্গল কাব্য যা ধর্মঠাকুরের উপাসনা কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল। - রূপরাম চক্রবর্তী সপ্তদশ শতাব্দীর একজন কবি এবং তাঁর রচিত ধর্মমঙ্গল কাব্যটি এই ধারার আদি ও প্রামাণ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘনরাম চক্রবর্তীর ধর্মমঙ্গল ব্যাখ্যা: রূপরাম চক্রবর্তীর পাশাপাশি ঘনরাম চক্রবর্তীও ধর্মমঙ্গল কাব্যের একজন বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত। উদাহরণ ২: সীতারাম দাসের ধর্মমঙ্গল ব্যাখ্যা: সীতারাম দাসও ধর্মমঙ্গল কাব্য ধারার একজন কবি যিনি এই ধারাটিকে সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বংশীদাস চক্রবর্তী — ইনি মনসামঙ্গল বা পদ্মাপুরাণ কাব্যের প্রণেতা হিসেবে বিখ্যাত, ধর্মমঙ্গল কাব্যের নন। B) রূপরাম চক্রবর্তী — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — ইনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের সর্বশ্রেষ্ঠ ও প্রখ্যাত কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত। D) বলরাম চক্রবর্তী — ইনি ধর্মমঙ্গল কাব্যের প্রধান বা প্রখ্যাত কোনো কবি নন, তাই এই উত্তরটি অপ্রাসঙ্গিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - রূপরামের রূপ দেখে ধর্মমঙ্গল মনে রেখো, কারণ রূপরাম চক্রবর্তী হলেন ধর্মমঙ্গল কাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। - মধ্যযুগের কবি ও তাদের কাব্য মনে রাখার জন্য কবি ও কাব্যের নাম জোড় বেঁধে পড়ার অভ্যাস করো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মঙ্গলকাব্যের বিভিন্ন ধারা এবং সংশ্লিষ্ট কবিদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল কাব্যের কবিদের নাম আলাদাভাবে তালিকা করে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য খুবই উপকারী।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0