প্রশ্নের বর্ণনা

a মুরারিগুপ্ত
b জ্ঞানদাস
c গোবিন্দদাস
d বলরামদাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুরারিগুপ্ত ১. কেন সঠিক: মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেবের সমসাময়িক পদকর্তা বা লেখক হিসেবে মুরারিগুপ্ত অত্যন্ত পরিচিত ব্যক্তিত্ব। তিনি চৈতন্যদেবের বাল্য ও ল্যালীলার বিভিন্ন ঘটনার সাক্ষী এবং তাঁর প্রথম জীবনের সংস্কৃত জীবনীগ্রন্থ শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃত বা মুরারিগুপ্তের রচা কড়চা এর রচয়িতা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মুরারিগুপ্ত শ্রীচৈতন্যদেবের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ভক্ত এবং সমসাময়িক চৈতন্য পার্ষদ ছিলেন। তিনি সংস্কৃত ভাষায় শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনের ঘটনাবলী নিয়ে পদ ও গ্রন্থ রচনা করেছিলেন যা চৈতন্যজীবনী সাহিত্যে প্রামাণিক দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুরারিগুপ্তের সংস্কৃত কড়চা ব্যাখ্যা: এটি চৈতন্যদেবের সমসাময়িক কালের একটি প্রামাণিক জীবনী গ্রন্থ। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃত ব্যাখ্যা: মুরারিগুপ্তের এই গ্রন্থটি চৈতন্যদেবের ভক্ত সমাজে অত্যন্ত আদৃত ও ঐতিহাসিক দলিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুরারিগুপ্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি চৈতন্যদেবের সমসাময়িক ছিলেন। B) জ্ঞানদাস — জ্ঞানদাস শ্রীচৈতন্যদেবের পরবর্তী যুগের পদকর্তা এবং তিনি চণ্ডীদাসের অনুগামী ছিলেন। C) গোবিন্দদাস — গোবিন্দদাস কবিবল্লভ বা করচা গোবিন্দদাস পরবর্তী যুগের শ্রীচৈতন্যদেবের ভক্ত ও পদকর্তা ছিলেন। D) বলরামদাস — বলরামদাস চৈতন্যোত্তর যুগের পদকর্তা এবং তিনি শ্রীচৈতন্যের তিরোধানের পরের সময়ের কবি। ৫. মনে রাখার টিপস: চৈতন্যদেবের সমসাময়িক সংস্কৃত রচয়িতা ও ভক্ত ছিলেন মুরারিগুপ্ত। যিনি সংস্কৃত কড়চা লিখেছেন তিনিই মুরারিগুপ্ত এবং তিনিই সমসাময়িক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে চৈতন্যদেব ও তাঁর পার্ষদদের রচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমসাময়িক পদকর্তা ও পরবর্তী যুগের পদকর্তাদের মধ্যে পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0