প্রশ্নের বর্ণনা

a ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
b সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
c হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
d বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ১. কেন সঠিক: - বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার কাঁটরা গ্রাম থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পুথি আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রথম সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন। - পুথিটি বিষ্ণুপুরের রাজবাড়ি থেকে আবিষ্কৃত হয়েছিল এবং এর আসল নাম ছিল শ্রীকৃষ্ণবসন্ত বা শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি প্রামাণিক কাব্য। - রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা এই কাব্যের মূল বিষয়বস্তু এবং এটি নাটকীয় সংলাপের মাধ্যমে রচিত একটি গীতকাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য। ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি মধ্যযুগের বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত। উদাহরণ ২: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত চর্যাপদের পদ সংকলন। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার আদি প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদ সম্পর্কিত একটি বিখ্যাত সম্পাদনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য সম্পাদনা করেননি, তবে তিনি চর্যাপদের ভাষা ও তত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করেছেন এবং 'বৌদ্ধ গান ও দোহা'র ভাষা নিয়ে কাজ করেছেন। B) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা ভাষা ও তত্ত্ব নিয়ে বিখ্যাত গবেষণা গ্রন্থ 'ওডিবিএল' রচনা করেছেন, কিন্তু শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য সম্পাদনা করেননি। C) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — তিনি নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার ও সম্পাদনা করে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেছিলেন। D) বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পুথি আবিষ্কার ও সম্পাদনা করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - পুথি আবিষ্কার ও সম্পাদনা করেছেন বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ, আর চর্যাপদ আবিষ্কার করেছেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। - এই দুটি তথ্য গুলিয়ে ফেলা থেকে সতর্ক থাকতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য কে আবিষ্কার ও সম্পাদনা করেন, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং এর আবিষ্কারকের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0