প্রশ্নের বর্ণনা

a সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত শব্দকে
b সংস্কৃত ব্যতীত বিভিন্ন ভাষা থেকে আগত শব্দকে
c বাংলা ভাষায় অব্যবহৃত শব্দকে
d বহুকাল ধরে এদেশে প্রচলিত শব্দকে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংস্কৃত ব্যতীত বিভিন্ন ভাষা থেকে আগত শব্দকে ১. কেন সঠিক: - উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে যে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়, তার মধ্যে একটি হলো বিদেশী শব্দ। - ঐতিহাসিক যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও ধর্ম প্রচারের কারণে বিভিন্ন ভিনদেশি ভাষা থেকে যে শব্দগুলো বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে এবং স্থায়ীভাবে স্থান করে নিয়েছে, সেগুলোকে বিদেশী শব্দ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম ও অর্ধতৎসম বাদে প্রাকৃত ও অপভ্রংশ হয়ে আসা শব্দ ছাড়াও বহু ভাষার শব্দ সরাসরি বা কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে প্রবেশ করেছে। - এই শব্দগুলোর মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ, তুর্কি, গ্রিক, চীনা ও বার্মিজ ভাষা প্রধানত উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চেয়ার ব্যাখ্যা: এটি একটি ইংরেজি শব্দ, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বহুল ব্যবহৃত বিদেশী শব্দের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: কলম ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি শব্দ, যা বাংলা ভাষায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত শব্দকে — এই সংজ্ঞার মাধ্যমে মূলত তৎসম শব্দের পরিচয় দেওয়া হয়েছে, বিদেশী শব্দের নয়। C) বাংলা ভাষায় অব্যবহৃত শব্দকে — বাংলা ভাষায় অব্যবহৃত শব্দ কখনো কোনো শব্দভাণ্ডারের অংশ হতে পারে না, তাই এটি ভুল। D) বহুকাল ধরে এদেশে প্রচলিত শব্দকে — এই বর্ণনাটি মূলত দেশি শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, বিদেশী শব্দের ক্ষেত্রে নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে, যেসব শব্দ সরাসরি অন্য ভাষা থেকে বাংলায় এসে মিশেছে এবং যাদের মূল উৎস সংস্কৃত নয়, সেটাই বিদেশী শব্দ। - ধর্ম, আদালত, অফিস ও বাণিজ্যের সাথে জড়িত অধিকাংশ শব্দই সাধারণত বিদেশী ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন শব্দের উৎস জানতে চাওয়া হয়, যেমন আনারস কোন ভাষার শব্দ। - শব্দগুলোর উৎস মুখস্থ করার সময় আরবি, ফারসি এবং পর্তুগিজ শব্দের তালিকা আলাদা করে গুরুত্ব দিয়ে পড়তে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0